নিউজ ডেস্ক: পাহাড়ে কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যে এক প্লেট গরম গরম ম্যাগি আর এক কাপ চা। আর কি চাই এ যেন পর্যটকদের কাছে পরম প্রাপ্তি। কিন্তু পাহাড়ের রাস্তার ধারে ছোট্ট দোকানে ম্যাগি ও চা বিক্রি করে কত টাকা আয় করেন ব্যবসায়ীরা? সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিয়ো ঘিরে সেই প্রশ্নই উঠেছে। রোটাং পাসের এক ম্যাগি বিক্রেতার দৈনিক বিক্রির অঙ্ক শুনে অবাক নেটদুনিয়ার একাংশ।
সমাজমাধ্যমে ভিডিয়োটি পোস্ট করেছেন হর্ষ চৌহান। রোটাং পাসে বেড়াতে গিয়ে এক ম্যাগি বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলেন তিনি। ভিডিয়োয় হর্ষকে দোকানির কাছে জানতে চাওয়া যায়, অফ সিজনে তাঁর কত রোজগার হয়। প্রতিদিন প্রায় ৬০ থেকে ৭০ প্লেট ম্যাগি বিক্রি হয় ওই বিক্রেতার। প্রতি প্লেটের দাম ১০০ টাকা। সেই হিসেবে শুধুমাত্র ম্যাগি বিক্রি থেকেই দৈনিক প্রায় ৬ থেকে ৭ হাজার টাকা আসে তাঁর দোকানে।
https://www.instagram.com/reel/DfPJC3lhzjL/?utm_source=ig_web_copy_link&vrfl=NTc4MTIwNjQ2YQ==
তবে তাঁর মোট আয় শুনলে অবাক হবেন আপনিও। ম্যাগির পাশাপাশি চাও বিক্রি করেন ওই ব্যবসায়ী। তাঁর দাবি, প্রতিদিন প্রায় ২০০ কাপ চা বিক্রি হয়। প্রতি কাপ চায়ের দাম ৪০ টাকা। অর্থাৎ, চা বিক্রি থেকে দৈনিক প্রায় ৮ হাজার টাকা আসে। এর পাশাপাশি ডিমও বিক্রি করেন তিনি।
ওই দোকানি দাবি করেন, ম্যাগি ও চা বিক্রি মিলিয়ে দিনে প্রায় ১৪ থেকে ১৫ হাজার টাকার বিক্রি হয়। তবে এই অঙ্ক মোট বিক্রির পরিমাণ, নিট লাভ নয়। যদিও বেশি পর্যটকদের ভীড় লক্ষ করা যায়নি। দোকানির বিক্রির পরিমাণ ছিল বেশ উল্লেখযোগ্য। পর্যটনের ভরা মরশুমে এই ব্যবসা কতটা বাড়তে পারে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
ভিডিয়োটি সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তে শুরু হয়েছে আলোচনা। পাহাড়ের রাস্তার ধারে ছোট্ট দোকান থেকেও এমন বিক্রি সম্ভব, তা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন অনেকেই। তবে ব্যবসার মোট বিক্রি আর লাভের মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে, সে কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অনেকে।
যদিও প্রতিকূল আবহওয়া ব্যবসার হিসেবের সঙ্গে জড়িত। ফলে ভাইরাল ভিডিয়োয় উঠে আসা বিক্রির অঙ্ক থেকেই দোকানির প্রকৃত লাভের পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।




