নিউজ ডেস্ক: গত ১ নভেম্বর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে দিল্লির রামলীলা ময়দানে একজোট হয়েছিল বিরোধী দলগুলি। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়, অধীর রঞ্জন চৌধুরী এবং মহম্মদ সেলিমকে একসঙ্গে রাস্তায় নেমে ভোট চাওয়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
সাংবাদিক বৈঠকের মুখোমুখি হয় শমীক ভট্টাচার্য বলেন, 'মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অধীর রঞ্জন চৌধুরী, মহম্মদ সেলিম একসঙ্গে পথে হাঁটবেন, ভোট চাইবেন। এর থেকে ভালো কিছু কি হতে পারে? আমরা তো এটাই চাই। পশ্চিমবঙ্গে কোনখুও বিরোধী নেই। এতদিন পর্যন্ত তৃণমূল ক্ষমতায় ছিল। এখন তো নাম নেই, বর্ণ নেই, গোত্র নেই, প্রতীক নেই, ছাদ নেই, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নেই। কিছুই নেই। এবার রাস্তায় নেমে পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে বলুন এসআইআরের নামে চুরি করেছে জ্ঞানেশ কুমার। তারপরে কর্পোনেশনের ভোটে যান। শূন্যের সঙ্গে শূন্য যোগ করলে ফলাফল শূন্যই হয়।
তিনি আরও বলেন, 'যতই চেষ্টা করার করে নিন, তবু লাভ হবে না। কলকাতাও বিজেপির। হাওড়াও বিজেপির। এরপর যে মিউনিসিপ্যালিটি হবে, সেখানেও মানুষ বিজেপিকেই ভোট দেবে। মানুষ কেন্দ্র-রাজ্য সংঘর্ষ চায় না। ৪৯ বছর পর একটা রাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে মুক্তি পেয়েছে মানুষ। তাই যেটা হওয়ার, সেটাই হবে।' ইতিমধ্যে বিরোধীদের রাজনৈতিক আন্দোলনের মোকাবিলায় রাজপথে শক্তি প্রদর্শনে নেমেছে বিজেপি। বিভিন্ন রাজ্য, শহরে ঘুরে ঘুরে 'লোকতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও' মিছিল করছেন বিজেপির শীর্ষনেতারা। ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ স্লোগানকে সামনে রেখে সোমবার কলকাতায় মেগা মিছিলের আয়োজন করে গেরুয়া শিবির। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনের নেতৃত্বে কলেজ স্ট্রিট থেকে শুরু হয় এই পদযাত্রা। মিছিলে নিতিন নবীনের সঙ্গে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শীর্ষ তিন নেতার কাঁধেই দেখা যায় জাতীয় পতাকা।




