উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে এসেছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্নই থেমে গেল এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়। পঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৮ বছরের পিএইচডি গবেষক জ্যোতির মৃত্যু হয়েছে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে। ক্যাম্পাসের মধ্যেই ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে বিশ্ববিদ্যালয় মহলে।
প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রতিষ্ঠানে এমন প্রাণঘাতী নিরাপত্তাহীনতা থেকে গেল? প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ক্যাম্পাসের একটি বৈদ্যুতিক সংযোগে ত্রুটির জেরে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন জ্যোতি। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনার পরই তীব্র ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে ছাত্রছাত্রী ও গবেষকদের মধ্যে। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তোলেন অনেকে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিতর্ক বাড়তেই জ্যোতির পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি পরিবারের এক সদস্যকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসের বৈদ্যুতিক পরিকাঠামো খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি দুর্ঘটনা কেবল একটি প্রাণই কেড়ে নিল না, ভেঙে দিল একটি পরিবারের বহু বছরের স্বপ্ন। এখন সকলের নজর তদন্তের দিকে—এই মৃত্যুর জন্য দায়ী কারা, আর ভবিষ্যতে যাতে কোনও গবেষকের জীবন এভাবে অকালে না ঝরে যায়, তার নিশ্চয়তা কীভাবে দেবে বিশ্ববিদ্যালয়।




