কলকাতা: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে CJP-র প্রস্তাবিত প্রতিবাদ কর্মসূচিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। এই পরিস্থিতিতে বিক্ষোভকারীদের নিশানা করলেন পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, যাত্রীদের অসুবিধা এড়াতেই প্রশাসনের তরফে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, কিছু পক্ষ পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করছে।
CJP-র প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “যাত্রীদের অসুবিধা এড়াতে কর্তৃপক্ষ যাতায়াতের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। আমাদের এও জানানো হয়েছে যে, কিছু পক্ষ গোলমাল সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে। এই প্রতিবাদ সম্পূর্ণভাবে হতাশা থেকেই হচ্ছে।”
শমীক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে CJP-র প্রতিবাদ কর্মসূচি নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক নতুন মাত্রা পেল। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে উদ্যোগী হয়েছে CJP। অন্যদিকে, এই কর্মসূচিকে ঘিরে রাজধানী দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় পুলিশ মোতায়েন এবং যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
প্রশাসনের তরফে যাতায়াত নিয়ন্ত্রণের কারণ হিসেবে সাধারণ মানুষের অসুবিধা এড়ানোর বিষয়টি তুলে ধরা হলেও, এই বিধিনিষেধ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে। বিরোধী নেতাদের একাংশের অভিযোগ, অতিরিক্ত নিরাপত্তা এবং বিধিনিষেধের কারণে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়ানো প্রশাসনের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
এই আবহে শমীক ভট্টাচার্যের মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর বক্তব্যে প্রতিবাদ কর্মসূচির উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তবে কিছু পক্ষ অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে যে অভিযোগ তিনি করেছেন, তার পক্ষে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য বা প্রমাণ তিনি এই বক্তব্যে প্রকাশ করেননি।
CEC-র বিরুদ্ধে CJP-র প্রতিবাদ এবং তা ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্ক আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।