একেই বলে সমর্থকদের আবেগ! দলের প্রতি বিশ্বাসভঙ্গ করেছেন তিনি- এই অভিযোগে তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে উপড়ে নেওয়া হল যাদবপুরের সাংসদ সায়নী ঘোষের নেমপ্লেট। এরপর তালা মেরে দেওয়া হয় অফিসটিতে। ক্ষিপ্ত জনতা ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেয় সায়নী ঘোষের সহকারীকে।
ঘটনাটি ঘটে যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্রের ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডে,গড়ফা এলাকায়। এই এলাকার 'দুলাল দাস ঠাকুর ভবন' থেকে খুলে ফেলা হয়েছে সায়নীর নেমপ্লেট। এই অফিসেই বসতেন সায়নী ঘোষ। পার্টি সমর্থকদের লেখা পোস্টার অফিসটিতে ঝুলিয়ে দেওয়া হল-'কোনও গদ্দার এই অফিসে ঢুকবে না'। 'কালীঘাট-তৃণমূল'-এর নেত্রী বসুন্ধরা গোস্বামীর নেতৃত্বে তালাও মারা হয় সায়নীর অফিসে। আরেকটি পোস্টারও দেখা যায়-'গো ব্যাক গদ্দার'।
এক মহিলা তৃণমূল সমর্থক বলেন-'আমাদের পার্টি অফিসের সেম এনভায়োরমেন্টটা উনি ব্যবহার করতে পারেননা ওনার জনসংযোগের জন্য। ওনার ক্ষমতা থাকলে,উনি যাদবপুরে পার্টি অফিস করে জনসংযোগ করুন। আমাদের অফিসে আর নয়। আমরা এটাকে সহ্য করবনা বা মেনে নেওয়ার কারন দেখছিনা। এটা আমাদের মতামত।' এই প্রসঙ্গে এক পুরুষ সমর্থকের বক্তব্য-'আমরা মমতা ব্যানার্জীর সাথেই আছি। মমতা ব্যানার্জীর সাথেই থাকব। ওনার নৈতিকতা থাকা উচিত-উনি এখানে আসবেন না। ওনার নৈতিকতার অভাব আছে।'
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বর্তমানে সায়নী ঘোষ কালীঘাট শিবির ছেড়ে এনসিপিআই সাংসদ হিসাবে নিজেকে প্রমাণ করতে ব্যস্ত। আর এই কারনেই, কালীঘাট শিবির থেকে বেড়িয়ে যাওয়ার পর, তার পদক্ষেপ নিয়ে যথেষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা।