তৃণমূল সাংসদদের সদস্যপদ বাতিলের দাবি এবং লোকসভার স্পিকারের ভূমিকা নিয়ে যখন রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে, তখন তৃণমূল কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। সাংসদদের সদস্যপদ বাতিলের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে লোকসভার স্পিকারের এক্তিয়ারভুক্ত। স্পিকারই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। বিরোধীরা অবশ্যই প্রতিবাদ করতে পারেন, দাবি জানাতে পারেন। তবে সংসদে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া ও পরম্পরা রয়েছে বলেই দাবি তাঁর।
তৃণমূলকে কটাক্ষ করে শমীকের দাবি, দলটি কার্যত ‘জীবন্ত জীবাশ্মে’ পরিণত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, কার সদস্যপদ থাকবে, কার বাতিল হবে, দলের প্রতীক থাকবে কি না কিংবা কে নেতা হবেন—এই বিষয়গুলি এখন সাধারণ মানুষের কাছে অপ্রাসঙ্গিক। তাঁর অভিযোগ, আসল লড়াই এখন তৃণমূলের অ্যাকাউন্টে থাকা বিপুল অর্থের দখল নিয়ে। কে সেই অর্থের নিয়ন্ত্রণ নেবে, তা নিয়েই মূল লড়াই চলছে বলে দাবি বিজেপি নেতার।
তৃণমূলের রাজনৈতিক ভাষা নিয়েও সরব হন শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, দেশের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় নেতৃত্বকে যেভাবে তৃণমূল আক্রমণ করে এসেছে, সেই রাজনৈতিক পরিপ্রেক্ষিতে বিরোধীদের পাল্টা আক্রমণও প্রত্যাশিত।
রাজ্যে একের পর এক জঙ্গি গ্রেফতারির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। লস্কর-ই-তইবা, আইএসআইএসের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহভাজনদের গ্রেফতারির পর ফের পাকিস্তানি এজেন্ট ধরা পড়ার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে শমীক বলেন, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তার সঙ্গে কোনওরকম আপস করা চলবে না। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে মৌলবাদের বিরুদ্ধে লড়াই বা সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে আপসের পরিণতি ভয়ঙ্কর হতে পারে।




