চার ম্যাচে চার বার যেন ত্রাতা মিকেল মেরিনো। মাঠে নামার দু'মিনিটের মধ্যে সংযুক্তি সময়ে তাঁর করা গোলে বেলজিয়ামকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল স্পেন। বদলি হিসেবে নেমে আবারও ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিলেন মেরিনো। তবে শেষ মুহূর্তের গোলে বেলজিয়ামের বদলি গোলরক্ষক সেন লেমেন্সের ভুলও বড় কারণ হয়ে দাঁড়াল।
এই ম্যাচে নিজের সেরাটা তুলে ধরলেন তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামালও। ডান প্রান্ত থেকে একের পর এক আক্রমণ তৈরি করে গোটা ম্যাচে বেলজিয়ামের রক্ষণকে চাপে রাখেন তিনি। গোল না পেলেও তাঁর গতি, ড্রিবলিং ও সুযোগ তৈরির ক্ষমতা স্পেনের আক্রমণের মূল অস্ত্র হয়ে ওঠে।
৭১ মিনিটে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন বেলজিয়ামের প্রথম পছন্দের গোলরক্ষক থিবো কুর্তোয়া। তাঁর বদলি হিসেবে নেমে বিশ্বকাপে অভিষেক হওয়া লেমেন্স শেষ দিকে রদ্রির সহজ শট সামলাতে ব্যর্থ হন। সেই রিবাউন্ড থেকেই জয়সূচক গোল করেন মেরিনো। কুর্তোয়ার চোট এবং লেমেন্সের ভুলই শেষ পর্যন্ত বেলজিয়ামের বিদায়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
স্পেনের সামনে এ বার আরও কঠিন পরীক্ষা। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স। টুর্নামেন্ট শুরুর আগে থেকেই দুই দলকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার বলা হচ্ছিল। ফলে ফাইনালের আগেই ইউরোপের দুই শক্তিধরের এই লড়াই বিশ্বকাপের 'আগাম ফাইনাল' হিসেবেই দেখা হচ্ছে।