বিনোদন ডেস্ক: লেখক অর্ণব রায়ের ২০২৪ সালের সাইকোলজিক্যাল হরর-থ্রিলার উপন্যাস ‘শাঁখচুন্নি’-র স্বত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে কিনে নিয়েছে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের প্রযোজনা সংস্থা ‘ম্যাচকাট প্রোডাকশনস’। তবে এটি বড় পর্দায় সিনেমা হিসেবে আসবে, নাকি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ওয়েব সিরিজ হিসেবে মুক্তি পাবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। বর্তমানে বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে এই বিষয়ে আলোচনা চালাচ্ছেন পরিচালক।
ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও ইউটিউবের মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই গল্প শেষ পর্যন্ত সিনেমা নাকি সিরিজ, কোন আকারে মুক্তি পাবে, সেই ধোঁয়াশা এখনও কাটেনি।
সৃজিত মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, গল্পটি পড়ার পর থেকেই তিনি সেটিকে পর্দায় আনার জন্য আগ্রহী ছিলেন। তবে প্রজেক্টটি পূর্ণদৈর্ঘ্যের সিনেমা নাকি ওয়েব সিরিজ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে, তা চিত্রনাট্য তৈরির কাজের অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছে। কবে মুক্তি পেতে পারে ‘শাঁখচুন্নি’? সেই সম্ভাব্য সময় এখনও স্পষ্ট নয়। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরের শেষের দিকে প্রজেক্টটির স্বত্ব কেনা হয়েছে। বর্তমানে সৃজিত তাঁর অন্যান্য সিনেমা যেমন ‘উইঙ্কল টুইঙ্কল’ এবং ‘এম্পারার ভার্সেস শরৎচন্দ্র’ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। শুটিং ও মুক্তির বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ‘শাঁখচুন্নি’-র প্রি-প্রোডাকশন এবং চিত্রনাট্য লেখার কাজ ২০২৬ সালের শেষের দিকে বা ২০২৭ সালের শুরুতে শুরু হতে পারে। সেই অনুযায়ী, সিনেমা হিসেবে তৈরি হলে ২০২৭ সালের মাঝামাঝি বা শেষের দিকে বড় পর্দায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
‘শাঁখচুন্নি’ প্রজেক্টের নেপথ্যের গল্প মূলত দুই বছরের অপেক্ষার। সৃজিত মুখোপাধ্যায় ২০২৪ সালেই অর্ণব রায়ের এই অতিপ্রাকৃত থ্রিলার গল্পটি পড়ে মুগ্ধ হয়েছিলেন। তবে তখন অন্য একটি সংস্থার কাছে এর স্বত্ব থাকায় তিনি কাজ শুরু করতে পারেননি। সেই স্বত্বের মেয়াদ শেষ হতেই দেরি না করে ম্যাচকাট প্রোডাকশনসের ব্যানারে গল্পটির স্বত্ব কিনে নেন তিনি।
অবশেষে অর্ণব-সৃজিত জুটি বাঁধতে চলেছেন। এর আগে অর্ণব রায়ের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘দ্য মহাভারত মার্ডার্স’ এবং ‘যাত্রিক’ নিয়েও কাজ করার পরিকল্পনা করেছিলেন সৃজিত। কিন্তু বিভিন্ন কারণে সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হয়নি। তাই এই ভৌতিক ও মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলারের হাত ধরেই প্রথমবার পর্দায় আসতে চলেছে অর্ণব-সৃজিত জুটির রসায়ন। কাস্টিং বা মুক্তির তারিখ চূড়ান্ত হলে প্রযোজনা সংস্থার ফেসবুক পেজ ও ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে টিজার বা পোস্টারের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হতে পারে।




