নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ! হোয়াইট হাউসের কাছ থেকে অস্ত্রশস্ত্র সহ এক যুবককে গ্রেফতার করল মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস। তল্লাশি চালিয়ে ধৃতর গাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি এআর-১৫ রাইফেল, দুটি হ্যান্ডগান এবং বিপুল পরিমাণ গুলি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার রাতে ওয়াশিংটন ডিসিতে। হোয়াইট হাউস সংলগ্ন কনস্টিটিউশন অ্যাভিনিউয়ে টহল দেওয়ার সময় একটি নীল রঙের ফোর্ড এফ-১৫০ পিকআপ ট্রাকের ভিতরে এক যুবককে সন্দেহজনক অবস্থায় দেখতে পান সিক্রেট সার্ভিসের এক আধিকারিক। এরপর ওই যুবকের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তাঁর কাছে অস্ত্র থাকার বিষয়টি জানতে পারেন আধিকারিকরা। তদন্তে জানা যায়, গাড়িটি চুরি যাওয়া বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং কয়েক ডজন কার্তুজ উদ্ধার করা হয়।
জানা ধৃত যুবক ভেনেজুয়েলার নাগরিক, বয়স ২৬ বছর। মার্কিন প্রশাসনের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই যুবক আধিকারিকদের জানান, তাঁর মাথার ভিতর কিছু কণ্ঠস্বর তাঁকে ওয়াশিংটনে এসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খুন করার নির্দেশ দিয়েছিল। আর সেই নির্দেশ পালন করতেই বেরিয়ে পড়েন তিনি। মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক অস্ত্র সংক্রান্ত ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে। পাশাপাশি চুরি যাওয়া গাড়ি ব্যবহার এবং বেআইনিভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। শুক্রবার তাঁকে ওয়াশিংটনের ডিসি সুপিরিয়র কোর্টে পেশ করা হয়। বর্তমানে জামিন ছাড়াই তাঁকে হেফাজতে রাখা হয়েছে।
মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসের ডিরেক্টর শন কারান জানিয়েছেন, অত্যন্ত সতর্কতা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আধিকারিকরা পরিস্থিতি সামাল দিয়েছেন। তাঁদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণেই সম্ভাব্য বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে দাবি প্রশাসনের। অন্যদিকে, হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েন মুলিনও সিক্রেট সার্ভিসের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। গোটা ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছেন মার্কিন তদন্তকারীরা।




