নিউজ ডেস্ক : ক্রিকেটের বাইশ গজে কখনও একটি সুযোগই বদলে দিতে পারে কোনও খেলোয়াড়ের পরিচিতি। ম্যাচ শুরুর আগে দল নির্বাচন নিয়ে জল্পনা, সমর্থকদের প্রত্যাশা আর নতুন মুখকে দেখার অপেক্ষা, সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে টানটান উত্তেজনা। শেষ পর্যন্ত দলের অধিনায়কের একটি সিদ্ধান্তে বদলে গেল ভারতীয় দলের প্রথম একাদশের সমীকরণ। তরুণ এক ক্রিকেটারকে ঘিরে নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন সমর্থকরা। তাঁর সামনে এবার নিজেকে প্রমাণ করার পালা।
দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসানের পর ফের ভারতীয় দলের নীল জার্সিতে মাঠে নামার সুযোগ পেলেন তরুণ ক্রিকেট প্রতিভা বৈভব সূর্যবংশী। ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে তাঁকে প্রথম একাদশে জায়গা দেওয়া হয়েছে। ক্রাইস্টচার্চের হ্যাগলি ওভালে টস জিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান ভারতীয় দলের অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। তরুণ ক্রিকেটারের দলে অন্তর্ভুক্তির খবর সামনে আসতেই ম্যাচ ঘিরে আগ্রহ আরও বেড়েছে। তবে, এই পরিবর্তনের পিছনে রয়েছে ঈশান কিষানের চোট। চোট লাগার কারনে এই ম্যাচ থেকে ছিটকে গিয়েছেন তিনি। তাঁর পরিবর্তেই দলের সুযোগ পেয়েছেন বৈভব। ফলে, জাতীয় দলের হয়ে নিজের দক্ষতা তুলে ধরার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ পেয়ে গেলেন এই তরুণ ক্রিকেটার।
দলে সুযোগ পাওয়া অবশ্যই বড় প্রাপ্তি, কিন্তু সেই সুযোগকে সাফল্যে পরিণত করায় আসল পরীক্ষা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রতিটি বলের গুরুত্ব আলাদা। প্রতিপক্ষের বোলিং আক্রমণ, ম্যাচের পরিস্থিতি এবং চাপ সামলে নিজের স্বাভাবিক খেলা তুলে ধরতে পারলে তবেই নজর কাড়তে পারবেন বৈভব। তরুণ ক্রিকেটারদের কাছে এমন ম্যাচ অভিজ্ঞতা অর্জনের পাশাপাশি নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণেরও বড় সুযোগ। বৈভবের ক্ষেত্রেও তাই প্রত্যাশা থাকবে তিনি যেন চাপের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ধরে রেখে দলের প্রয়োজনে কার্যকর ভূমিকা পালন করেন।
অন্যদিকে, সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের লক্ষ্য থাকবে দলগত পারফরম্যান্স এর মাধ্যমে নিউজিল্যান্ডকে চ্যালেঞ্জ জানানো। সেই লড়াইয়ে বৈভবের উপস্থিতি কতটা প্রভাব ফেলতে পারে, তা দেখার অপেক্ষা। এবার ব্যাট হাতে কতটা চমক দেখাতে পারেন এই তরুণ ক্রিকেটার, সেই অপেক্ষাতে রয়েছে ক্রিকেটপ্রেমীরা। তাঁর পারফরম্যান্সই ঠিক করবে এই সুযোগ কতটা কাজে লাগাতে পারবেন তিনি। এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের নজর হ্যাগলি ওভালের দিকে। তরুণ এই ক্রিকেটার কি নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে তাঁর সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবেন? সেই উত্তর মিলবে মাঠের লড়াইয়ে।




