কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: এলপিজি ই-কেওয়াইসির সময়সীমা বাড়ল ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। সংযোগ চালু রাখতে তৎপর হওয়ার আর্জি ডিস্ট্রিবিউটরদের। রান্নার গ্যাসের গ্রাহকদের জন্য ফের বাড়ল পরিচয় যাচাইয়ের সময়সীমা। এলপিজি সংযোগে আধার সংযুক্তিকরণ ও ই-কেওয়াইসি সম্পন্ন করার শেষ দিন আরেক দফা পিছিয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ধার্য করা হয়েছে। এর আগে প্রথমে ১৬ আগস্ট এবং পরে ২৩ আগস্ট পর্যন্ত ডেডলাইন দেওয়া হয়েছিল। বারবার সময় বাড়ানো সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত গ্রাহকদের একটি বড় অংশের মধ্যে এই জরুরি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে উদাসীনতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এলপিজি সরবরাহকারী মূল তিন সংস্থার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখনও প্রায় ১৩ শতাংশ গ্রাহক তাঁদের ই-কেওয়াইসি করাননি। ডিস্ট্রিবিউটরদের একাংশের ক্ষোভ, দফায় দফায় সময়সীমা বাড়ানোর ফলেই গ্রাহকদের অনেকে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য যাচাই না করালে ভবিষ্যতে গ্যাস বুকিং আটকে যাওয়া কিংবা সরকারি ভর্তুকি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে। সেক্ষেত্রে বাধ্য হয়ে গ্রাহককে বাজারদরে অতিরিক্ত টাকা খরচ করে রান্নার সিলিন্ডার কিনতে হতে পারে।
এদিকে ই-কেওয়াইসির পাশাপাশি সংযোগের নাম পরিবর্তন বা পরিবারের প্রয়াত সদস্যের নামে থাকা সংযোগ অন্য সদস্যের নামে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া নিয়েও ডিলারদের কাছে ভিড় জমছে। তবে অনেকের মধ্যেই ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে ডিলারদের কাছে গেলে সংযোগ বাতিল হয়ে যেতে পারে।
এই আশঙ্কার কোনও ভিত্তি নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন ডিস্ট্রিবিউটররা। নিয়ম অত্যন্ত সহজ,পিতা প্রয়াত হলে মাতার নামে এবং পিতামাতা উভয়েই প্রয়াত হলে ছেলে বা মেয়ের নামে সংযোগ স্থানান্তর করা যায়। পরিবারে একাধিক সন্তান থাকলে আবেদনকারী ছাড়া বাকি ভাই-বোনদের তরফ থেকে শুধুমাত্র একটি অনাপত্তিপত্র বা এনওসি জমা দিলেই কাজ মিটে যায়।
গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রত্যেকে যাতে নিরবচ্ছিন্নভাবে এবং সঠিক মূল্যে রান্নার গ্যাস পান, সেটাই মূল লক্ষ্য। গ্রাহকরা চাইলে ঘরে বসেই মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে নিজস্ব বায়োমেট্রিক তথ্য যাচাই করে নিতে পারেন।
যাঁরা প্রযুক্তিতে স্বচ্ছন্দ নন, তাঁরা স্থানীয় গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থার দফতরে গেলে কর্মীরাই সমস্ত নথিপত্র যাচাই ও হস্তান্তরের প্রক্রিয়ায় সরাসরি সহায়তা করবেন।