নিউজ ডেস্ক: প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের আসন্ন নতুন ছবি ‘ডাক্তার কাকু’ মুক্তির দোড়গোড়ায়। ছবিটির মুক্তিকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি একটা সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের সুদীর্ঘ কেরিয়ার, ছবি নির্বাচন এবং ভবিষ্যতের ইচ্ছে নিয়ে খোলামেলা কথা বললেন।
সাক্ষাৎকারে তিনি তুলে ধরেন ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর বিভিন্ন ধরনের কাদের অভিজ্ঞতার কথা। দীর্ঘদিনের অভিনয় কেরিয়ারে মূলধারার বাণিজ্যিক ছবি বা 'কমার্শিয়াল সিনেমা'র দাপট বেশি থাকলেও, অন্যধারার সিনেমায় প্রসেনজিতের অবদান সমান নজরকাড়া। সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গেই বুম্বাদা জানান, তাঁর মতো আর কোনও অভিনেতা টানা মূলধারার বাণিজ্যিক ছবি করার পাশাপাশি সমান তালে এত অন্যধারার ছবিতে অভিনয় করে যাননি। নিজের অভিনয় স্বত্বার আত্মতৃপ্তির জন্যই তিনি অন্য ধারার সিনেমাগুলোতে কাজ করতেন।
কীভাবে এখন ছবি বাছেন প্রসেনজিৎ তা নিয়েও কথা বলেছেন তিনি। কেরিয়ারের এই পরিণত পর্যায়ে দাঁড়িয়ে এখন কীভাবে পছন্দের চরিত্র নির্বাচন করেন সেই প্রসঙ্গে কথা উঠলে বুম্বাদা বলেন, "তিনি সবসময় খেয়াল রাখেন এমন কী চরিত্র আছে যা তিনি এখনও পর্যন্ত পর্দায় করে ওঠেননি। তবে সব সিনেমার ক্ষেত্রে এই কঠিন শর্ত প্রযোজ্য নয়। প্রসেনজিতের ভাষায়, "এই বিষয়টা সব সময় মেনে চললে তো কাজই বন্ধ করে দিতে হবে! তাই এখন এমন ছবি করতে চাই যা আজকের সময়ের প্রেক্ষিতে একটি যথাযথ বাণিজ্যিক ছবি হতে পারে।”
কথা বলতে বলতেই মুখে হালকা হাসি ফুটিয়ে নিজের এক অপ্রকাশিত ইচ্ছের কথা ব্যক্ত করেন প্রসেনজিৎ। তিনি জানান, তাঁর খুব ইচ্ছে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বায়োপিক-এ নামভূমিকায় অভিনয় করার। ঐতিহাসিক এই মহাপুরুষের চরিত্রে নিজেকে বড়পর্দায় ফুটিয়ে তোলার স্বপ্ন তাঁর বেশ পুরনো।
এর আগে অভিনেতা দেবকে নিয়েও বিদ্যাসাগরের বায়োপিক তৈরির গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। ১৯৫০ সালে কালীপ্রসাদ ঘোষের পরিচালনায় বিদ্যাসাগরের জীবনভিত্তিক 'বিদ্যাসাগর' নামে একটি জনপ্রিয় বাংলা ছবি মুক্তি পেয়েছিল, যেখানে নামভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন পাহাড়ী সান্যাল , গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়।