এন্টারটেনমেন্ট ডেস্ক: চুরি তো কত কিছুই হতে পারে। থালা-বাসন থেকে শুরু করে টাকা-পয়সাও চুরি হতে পারে। তবে এই মুহূর্তে যে চুরির কথা বলা হচ্ছে সেটার কোন সাধারণ চুরি নয়। অন্তত বলিউডের চোখে দেখতে গেলে, এই চুরি যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এই চুরি গুরুত্বপূর্ণ একজন অভিনেত্রীর ঘরে হয়েছে। বলিউডের অভিনয় মহলে ওই অভিনেত্রী নিজের স্থান এক উচ্চপর্যায়ে নিয়ে গেছেন। চুরি হয়েছে অভিনেত্রী আমিশা প্যাটেলের বাড়িতে। তাঁর ফ্ল্যাট থেকেই হয়েছে বহুমূল্য জিনিস চুরি।
অভিযোগ উঠেছে আমিশা প্যাটেলের বাড়িতে বড়সড়ো চুরির ঘটনায়। চুরি হয়েছে তার ফ্ল্যাট থেকে লক্ষাধিক টাকার গয়না। ওই গয়নাটি ছিল সোনা এবং হীরে মেলানো। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে মুম্বাইয়ের 'চার্চগেট' এলাকায় অভিনেত্রীর ফ্ল্যাট থেকে ওই বহুমূল্য জিনিস চুরি হয়েছে। ওই ফ্ল্যাটে বর্তমানে অভিনেত্রীর মা আশা প্যাটেল থাকেন। জানা গিয়েছে ওই গয়নাটি একটি বালা, যা দুর্মূল্যও বটে। ওই চুরির ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায় চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ওই বাড়ি থেকে ওই সোনা-হীরে মেলানো বালাটি খোয়া গেছিল। বালাটির বাজারদর আনুমানিক পাঁচ লক্ষ টাকা। ওই চুরির ঘটনায় আমিশার মা আশা প্যাটেল গৃহ পরিচারিকাকে দোষী সন্দেহ করেন। এরপর প্রায় পাঁচ ছয় মাস ধরে পরিচারিকা সীমা ঘাটে কে ওই বালাটি ফেরত দেওয়ার কথা বলতে থাকেন। তবে বালা ছুটি নিয়ে সীমা ঘাটে কোন কথাই বলেননি। তিনি সম্পূর্ণভাবে ঘটনাটি অস্বীকার করে যান। অবশেষে পুলিশের দ্বারগ্রস্ত হন আশা প্যাটেল। তার অভিযোগের ভিত্তিতে ই তদন্তে নামে মেরিন ড্রাইভ থানার পুলিশ।
এরপর বিরাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় পরিচারিকা সীমা ঘাটে কে। তার নামে রুজু করা হয় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩০৬ ধারায় মামলা। সিনিয়র পুলিশ অফিসার জিতেন্দ্র কদম এবং পুলিশ ইন্সপেক্টর ভাটকর এই মামলার তদন্তভার গ্রহণ করেন। সীমাকে আদালতে তোলা হয়। আদালত সীমা ঘাটে কে ১৫ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে সীমা আমিশা প্যাটেলের চার্জ গেটের ফ্ল্যাটে দেড় বছর ধরে কাজ করছিলেন। পুলিশি হেফাজতে পুলিশ ইন্সপেক্টর প্রদীপ চৌধুরি এবং তার নেতৃতা দিন বিশেষ টিম সীমা ঘাটে'কে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। তারা খতিয়ে দেখছেন এইরকম ঘটনা সীমা এর আগেও করেছেন কিনা। যদিও জানা গিয়েছে বালাটি এখনো উদ্ধার করা যায়নি।