ভুয়ো জাতিসংসাপত্র দেখিয়ে ভোটে জেতার অভিযোগ উঠল বিধায়কের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারের সিতাইয়ে। ভুয়ো তফসিলি জাতি শংসাপত্র ব্যবহার করে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনে লড়ে বিধায়ক হওয়ার অভিযোগ উঠেছে সিতাইয়ের বিধায়ক সংগীতা রায়ের বিরুদ্ধে। সিতাইয়ের বিধায়ক সংগীতা রায়ের বাড়িতে শংসাপত্র যাচাইয়ের নোটিস পাঠিয়েছে ব্লক প্রশাসন। তবে নির্দিষ্ট দিনে অনুপস্থিত ছিলেন বিধায়ক বলে জানা গিয়েছে।
সুত্রের খবর, মঙ্গলবার শংসাপত্র যাচাইয়ের দিন ধার্য করা হয়েছিল। সেই মতো নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল বিধায়ককে। তবে মঙ্গলবার বিধায়ক উপস্থিত ছিলেন না। তাই প্রশাসনের কর্মীরা বাধ্য হয়ে বিধায়কের বাড়িতে নোটিস টাঙিয়ে দিয়ে আসেন। নোটিসে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে, বিডিও অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি অতিসত্বর জমা করতে হবে।
প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই বিজেপি ও জিসিপিএ সমর্থিত প্রার্থী আশুতোষ বর্মা দাবি করেছিলেন সংগীতা রায় ভুয়ো এসসি শংসাপত্র ব্যবহার করে সংরক্ষিত আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। বিষয়টি নিয়ে মহকুমা শাসকের দ্বারস্ত হন তিনি। লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়। সেখানে কোন কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন আশুতোষ বর্মা। এরপরই প্রশাসনের তরফে শংসাপত্র যাচাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়।
এ বিষয়ে আশুতোষ বর্মা বলেন, ভুয়ো এসসি শংসাপত্র দেখিয়ে সংরক্ষিত আসনে নির্বাচনের অংশ নিয়েছেন সংগীতা রায়। এটা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত। বিষয়টি রাজবংশী সমাজও ভালোভাবে নেয়নি। এতকিছুর পরেও যদি প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ না নেয় তাহলে আগামী দিনের বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তারা।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। আগামী দিনে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কি থাকে সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষ।