প্রায় এক যুগ আগের বিতর্ক যেন ফের নতুন করে মাথাচাড়া দিল। ২০১৬ সালের বহুচর্চিত হৃতিক রোশন-কঙ্গনা রানাউত বিতর্ক আবারও সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। ‘We Need to Apologise to Hrithik Roshan’ ট্রেন্ড নিয়ে হৃতিকের মন্তব্যের পরই ক্ষোভ উগরে দেন অভিনেত্রী তথা বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে হৃতিককে উদ্দেশ্য করে একটি খোলা চিঠি লেখেন কঙ্গনা। চিঠিতে হৃতিকের বর্তমান প্রেমিকা সাবা আজাদের প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি।
হৃত্বিকের প্রাক্তন প্রেমিকা কঙ্গনা লেখেন,' সাবাকে নিয়ে সুখে থাকে...!' সাবা আজাদ হৃত্বিকের উপযুক্ত সঙ্গী। এতদিনে হৃত্বিক উপযুক্ত সঙ্গী পেয়েছে তাতে আমি খুবই খুশি। তিনি হৃত্বিককে নতুন সম্পর্কে মনযোগ দেওয়ার পরামর্শও দেন। সঙ্গে তিনি দাবি করেন, একটি স্থিতিশীল সম্পর্কে থেকে অন্য কোনও নারীকে ইঙ্গিত করে খোঁচা দেওয়া হৃতিকের উচিত নয়। উল্টে হৃত্বিকের নাম ব্যবহার করে অনেকে কঙ্গনাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় হেনস্থা করছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কথা বলার আহ্বান জানান অভিনেত্রী।
বিতর্কের সূত্রপাত ইনফ্লুয়েন্সার ফ্রেডি বার্ডির একটি পোস্ট থেকে। যেখানে স্পষ্ট লেখা, ' হৃতিক রোশনের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত গোটা বিশ্বের।” তাতে মন্তব্য করে হৃতিক লেখেন, 'শুধুমাত্র কেউ পছন্দ নয় বলে অন্যের পক্ষ নেওয়া ঠিক নয়। বরং উচিত সত্য তথ্যের ভিত্তিতে বিচার হওয়া।'
এমত অবস্থায় নেটিজেনদের একাংশ দাবি করেন, হৃত্বিকের মন্তব্যে পরোক্ষভাবে কঙ্গনাকেই উদ্দেশ্য করা হয়েছে। এরপরই সামনে আসে কঙ্গনার পাল্টা পোস্ট।
এদিকে সম্প্রতি সিজেপি মুখপাত্র সৌরভ দাস কে ' বেকার ও অপদার্থ ' বলে কটাক্ষ করেন কঙ্গনা। এই বিতর্ক কে নিয়ে তারই পাল্টা কৌতুকের সুরে সৌরভ বলেন, বন্ধুরা মজা করে বলে আমায় নাকি তরুণ হৃত্বিকের মত দেখতে। তাই কঙ্গনা হয়তো ক্ষুব্ধ।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে Kites এবং ২০১৩ সালে Krrish 3-এ একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন হৃতিক ও কঙ্গনা। ২০১৬ সালে এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা হৃতিককে ‘সিলি এক্স’ বললে শুরু হয় আইনি নোটিশ। দীর্ঘ প্রকাশ্য বাকযুদ্ধও চলে। যদিও থেমে গেছে সেই বিতর্ক। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে স্পষ্ট— দুই তারকার পুরনো তিক্ততা এখনও পুরোপুরি মুছে যায়নি।




