বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে পাহাড়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন বিমল গুরুং। পাহাড়ে বিজেপির ঐতিহাসিক সাফল্য এবং তৃণমূলের ভরাডুবির নেপথ্যে অন্যতম কারণ ছিলেন গুরুং। বিজেপির হয়ে প্রচার করে সংগঠনকে শক্তিশালী করে তুলেছিলেন তিনি। পাহাড়ের এই সাফল্যের পর এবার রাজ্য সরকারের সঙ্গে সমন্বয় বৃদ্ধির ইঙ্গিত মিলেছে গুরুং-এর কলকাতা সফরকে ঘিরে।
সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর পাহাড় সফরে বিমল গুরু ও শুভেন্দু অধিকারীকে একই মঞ্চে দেখা গিয়েছিল। ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রসঙ্গেও ইতিবাচক বার্তা দিয়েছিলেন তারা দুজনেই। মঙ্গলবার কলকাতায় গুরুমের বৈঠক পাহাড়ের উন্নয়ন প্রসঙ্গেই তা আর বলার অবকাশ রাখছে না। এই বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর পাহাড়ে বিমল গুরুংয়ের রাজনৈতিক প্রভাব ফের বাড়ছে বলেই মত পর্যবেক্ষকদের। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাও নতুন করে সংগঠনকে চাঙ্গা করার সুযোগ পেয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর অজয় এডওয়ার্ড ও অনীত থাপার রাজনৈতিক তৎপরতা অনেকটাই স্তিমিত।
এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুং-এর একের পর এক জনসংযোগ। নিজের অবস্থান আরও শক্ত করতে তৎপর বিমল গুরুং তা বোঝাই যাচ্ছে। আগামী দিনে পাহাড়ের উন্নয়নে বর্তমান সরকার কি কি উদ্যোগ নেয় সেদিকেই তাকিয়ে গোটা উত্তরবঙ্গবাসী।




