নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপূজা মানেই শুধু পুজোর আচার নয়, বরং সাজগোজ, আনন্দ, আড্ডা এবং নিজের স্টাইলকে নতুনভাবে তুলে ধরারও সময়। শাড়ি বরাবরই বাঙালি নারীর পুজোর সাজের অন্যতম পছন্দ হলেও বর্তমানে আধুনিক কাট, আরামদায়ক সিলুয়েট এবং সমসাময়িক ডিজাইনের পোশাকও উৎসবের ফ্যাশনে জায়গা করে নিয়েছে। ২০২৬ সালের দুর্গোৎসবে তাই শাড়ির পাশাপাশি এমব্রয়ডারি ড্রেস, মিডি, স্কার্ট এবং কো-অর্ড সেট হতে পারে নজরকাড়া বিকল্প।
‘অনুপ্রেরণা’-র নারী পোশাক কালেকশন থেকে বেছে নেওয়া যেতে পারে এমন ৯টি লুক—
*১. এমব্রয়ডারির পিনটাক ড্রেস:* অষ্টমীর মতো বিশেষ দিনে এমব্রয়ডারি, পিনটাক ডিজাইন এবং ট্যাসেল-যুক্ত পোশাক এনে দিতে পারে উৎসবের আবহ।
*২. গ্যাদার্ড অ্যান্ড রাফেল্ড ড্রেস:* প্যান্ডেল হপিংয়ের জন্য আরামদায়ক এই ধরনের ড্রেস দীর্ঘ সময় বাইরে থাকার ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য দিতে পারে।
*৩. পিনটাকড অ্যান্ড প্লিটেড মিডি:* দিনের পূজা পরিক্রমা কিংবা সন্ধ্যার আড্ডা—দুই ক্ষেত্রেই পরিশীলিত লুক তৈরি করতে পারে মিডি ড্রেস।
*৪. টাক্স অ্যান্ড গ্যাদার্স মিডি সানড্রেস:* ভারী সাজের বদলে নরম ও সহজ লুক চাইলে এই ধরনের পোশাক হতে পারে উপযুক্ত পছন্দ।
*৫. বাটনড অ্যান্ড রাফেল্ড শর্ট ড্রেস:* বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা, দুপুরের খাবার কিংবা হালকা উৎসবের আয়োজনে ক্যাজুয়াল অথচ স্টাইলিশ লুক দিতে পারে এই পোশাক।
*৬. লং স্কার্ট কো-অর্ড সেট:* ক্রপড টপের সঙ্গে ফ্লোয়িং লং স্কার্টের সমন্বয় সন্ধ্যার অনুষ্ঠান বা রাতের উৎসবে আনতে পারে আধুনিকতার ছোঁয়া।
*৭. ভি-নেক প্লিটেড কো-অর্ড সেট:* পোশাক বাছাইয়ের ঝামেলা কমিয়ে একই সঙ্গে পরিপাটি ও আধুনিক সাজ তৈরি করতে পারে এই সেট।
*৮. ওয়েস্ট-টাইড রাফেল্ড অ্যান্ড গ্যাদার্ড ড্রেস:* কোমরের ফিতে, গ্যাদার ও রাফেলের সমন্বয়ে পারিবারিক মিলনমেলা বা উৎসবের নৈশভোজে মানিয়ে যেতে পারে এই লুক।
*৯. এমব্রয়ডারি শার্ট ও ফুল-লেন্থ প্যান্ট সেট:* ঐতিহ্যবাহী পোশাকের বাইরে আধুনিক কিছু পরতে চাইলে এমব্রয়ডারি করা শার্ট ও প্যান্টের কো-অর্ড সেট হতে পারে আকর্ষণীয় বিকল্প।
পুজোর পোশাক বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই অনুষ্ঠান, বাইরে থাকার সময় এবং ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। অষ্টমীর মতো বিশেষ দিনে এমব্রয়ডারি বা কারুকাজ করা পোশাক যেমন উৎসবের আবহ তৈরি করতে পারে, তেমনই প্যান্ডেল হপিংয়ের ক্ষেত্রে হালকা ও আরামদায়ক ড্রেস বেশি কার্যকর হতে পারে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, পুজোর পোশাক যেন শুধু কয়েক দিনের জন্য আলমারিতে আটকে না থাকে। এমন ডিজাইন বেছে নেওয়া যেতে পারে, যা পরবর্তীতে ডিনার, পারিবারিক অনুষ্ঠান বা অন্যান্য উৎসবেও ব্যবহার করা সম্ভব। ২০২৬-এর দুর্গোৎসবে তাই ফ্যাশনের পাশাপাশি আরাম, ব্যবহারযোগ্যতা এবং নিজস্ব স্টাইল—এই তিনটিকেই গুরুত্ব দিয়ে তৈরি হতে পারে আপনার পুজোর লুক।
