নিউজ ডেস্ক: নতুন কোনও শহরে ঘুরতে গেলে সাধারণত আমরা প্রথমে খোঁজ করি সেখানকার দর্শনীয় জায়গা, হোটেল কিংবা পরিবহণের। কিন্তু এমন অনেক শহর রয়েছে, যেখানে পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণই হল খাবার। কোনও শহর পরিচিত তার সুশির জন্য, কোথাও আবার বিখ্যাত পিৎজা, কাবাব কিংবা রাস্তার ধারের সুস্বাদু খাবার। অর্থাৎ খাবারের স্বাদ দিয়েও চিনে নেওয়া যায় একটি শহরের সংস্কৃতি।
প্রথমেই আসা যাক জাপানের টোকিওর কথায়। সুশি, রামেন, টেম্পুরা থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী জাপানি খাবার এখানে পর্যটকদের বিশেষ আকর্ষণ। খাবারের গুণমান এবং পরিবেশনের সূক্ষ্মতা টোকিওকে Food Tourism-এর অন্যতম জনপ্রিয় গন্তব্য করে তুলেছে।
এরপর রয়েছে তুরস্কের ইস্তানবুল। এখানকার কাবাব, বাকলাভা, তুর্কিশ চা এবং স্ট্রিট ফুডের স্বাদ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। ইউরোপ ও এশিয়ার সংস্কৃতির মেলবন্ধন এখানকার খাবারেও স্পষ্ট।
ইতালির নেপলস মানেই পিৎজা। বিশেষ করে ঐতিহ্যবাহী Neapolitan Pizza-এর স্বাদ নিতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এই শহরে আসেন।
থাইল্যান্ডের ব্যাংককও খাবারপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। প্যাড থাই, টম ইয়াম স্যুপ এবং নানা ধরনের স্ট্রিট ফুড এখানে বিশেষ আকর্ষণ।
এরপর রয়েছে ফ্রান্সের প্যারিস। ক্রোসাঁ, পেস্ট্রি, চিজ এবং নানা ধরনের ফরাসি খাবার শহরটির পরিচিতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
মেক্সিকো সিটির টাকো, এনচিলাডা এবং নানা ধরনের স্থানীয় খাবারও পর্যটকদের কাছে বিশেষ জনপ্রিয়।
আর তালিকার শেষ শহর কলকাতা। ফুচকা, কচুরি, রোল, বিরিয়ানি, মাছের ঝোল কিংবা মিষ্টি—কলকাতার খাবারের বৈচিত্র্যই এই শহরের অন্যতম পরিচয়। আসলে প্রতিটি শহরের খাবারের মধ্যে লুকিয়ে থাকে তার ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং মানুষের জীবনযাপন। তাই পরের বার বেড়াতে গেলে শুধু দর্শনীয় স্থান নয়, স্থানীয় খাবারের স্বাদ নিতেও ভুলবেন না।




