স্পোর্টস ডেস্ক: জয় দিয়ে আইএফএ শিল্ডের অভিযান শুরু ইস্টবেঙ্গলের। এদিন নিজেদের মাঠে কাস্টমসের বিরুদ্ধে খেলতে নামে বিনো জর্জের দল। সেই ম্যাচেই কাস্টমসের বিরুদ্ধে পিছিয়ে থেকেও ৩-১ গোলে জয় ছিনিয়ে নেয় লাল-হলুদ। ম্যাচে একের পর এক সহজ সুযোগ নষ্ট জেসিন টিকের। জেসিন এদিন লক্ষ্যভ্রষ্ট না হলে ম্যাচের ফলাফল আরও অন্যরকম হতেই পারত। দ্বিতীয়ার্ধের একেবারে অন্য মেজাজে দেখা যায় লাল-হলুদকে। খেলা এদিকে বেহাল দশা মাঠের।
ম্যাচে এদিন প্রথম থেকেই ডিফেন্সিভ ফুটবল খেলতে শুরু করে বিনো জর্জের দল। যার ফলে শুরুতেই গোল খেয়ে যায় লাল-হলুদ। ম্যাচের ১১ মিনিটে গোল খেয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। তবে এরপর আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় বিনোর দল। যার ফলে ম্যাচের ২৯ মিনিটে সমতা ফেরায় ইস্টবেঙ্গল। এরপর যেন আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে লাল-হলুদ। ম্যাচের ৩৪ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট হয় ইস্টবেঙ্গল। বরিসের ফ্রিকিক, হেড দেন রোহিত দানু। তবে তা বারে লাগে। এরপর ম্যাচের ৪৩ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন অধিনায়ক সৌরভ চক্রবর্তী। এরপর আক্রমণে গেলেও, প্রথমার্ধে ম্যাচ শেষ ১-১।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণের ঝাঁজ বাড়ায় বিনোর দল। ম্যাচের ৪৯ মিনিটে সহজ সুযোগ নষ্ট করেন জেসিন টিকে। এরঠিক এক মিনিটের মাথায় ফের সুযোগ হাতছাড়া করেন জেসিন। না হলে আরও দুটি গোল হয়ে যেতে পারত লাল-হলুদের। তবে দ্বিতীয় গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ইস্টবেঙ্গলকে। ৫২ মিনিট ২-১ গোলে এগিয়ে জয় বিনোর দল। আকাশের বাড়ানো পাশে সুন্দর গোল রোহিত দানুর। ম্যাচের ৭৪ মিনিটে ফের সুযোগ নষ্ট জেসিনের। ম্যাচের ৮৫ মিনিটে ফের গোল ইস্টবেঙ্গলের। এবার লাল-হলুদকে গোল করে এগিয়ে দেন আকাশ হেমরন। এরপর আক্রমণে গেলেও গোলের ব্যবধান বাড়াতে ব্যর্থ হয় বিনো জর্জের দল।
ম্যাচে পিছিয়ে থেকেও জয়, দলের এই পারফরম্যান্সে খুশি লাল-হলুদ কোচ বিনো জর্জ। তিনি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, “ দলের ওপর ভরসা ছিল। জানতাম দল ঘুরে দাড়াবে। প্রথম ৪৫ মিনিট যে ভুল গুলো ছিল তা দ্বিতীয়ার্ধে ঠিক করে নিয়েছি।” অপর দিকে ম্যাচ হারলেও দলের খেলায় খুশি কাস্টমস কোচ বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য।