বিশ্বকাপের মাঝেই সুখবর লাল-হলুদ সমর্থকদের জন্য। আগামী ১২ অগাস্ট এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর প্রিলিমিনারি পর্বে কুয়েতের আল আরাবি এসসির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। তবে তারও আগে ২৫ জুলাই ডুরান্ড কাপে অভিযান শুরু করবে লাল-হলুদ। সেই দুই বড় প্রতিযোগিতাকে সামনে রেখেই স্প্যানিশ অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার দানি রামিরেজকে এক বছরের চুক্তিতে দলে নিল আইএসএল চ্যাম্পিয়নরা। কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের পছন্দ অনুযায়ী দল সাজানোর কাজ যে জোরকদমে চলছে, এই সই তারই স্পষ্ট ইঙ্গিত।
রামিরেজের ফুটবলজীবন শুরু স্পেনে। ২০০৮ সালে রিয়াল মাদ্রিদের যুব অ্যাকাডেমিতে যোগ দেওয়ার পর ক্লাবটির 'সি' দলের হয়ে সিনিয়র ফুটবলে অভিষেক। পরে ভালেন্সিয়া বি, গেটাফে বি এবং ইন্টারন্যাসিওনাল দে মাদ্রিদের মতো ক্লাবে খেলেছেন। পোল্যান্ডে লেচ পোজনান ও এলকেএস লজের হয়ে সফল সময় কাটিয়ে একস্ট্রাক্লাসা জেতার অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর। এর পর গত বছর ভারতীয় ফুটবলে এসে পাঞ্জাব এফসি-র হয়ে নিজের মান প্রমাণ করেন। আর সেই পারফরম্যান্সই তাঁকে নিয়ে এল লাল-হলুদ শিবিরে।
গত মরশুমে পাঞ্জাব এফসি-র জার্সিতে আইএসএলে ধারাবাহিক ভাবে নজর কেড়েছিলেন রামিরেজ। মাঝমাঠে খেলা তৈরির ক্ষমতা, নিখুঁত পাস, ড্রিবলিং, দূরপাল্লার শট, ফ্রিকিক এবং কর্নার থেকে গোলের সুযোগ তৈরি করার দক্ষতা তাঁকে আলাদা করে দিয়েছে। সৃজনশীল ফুটবলের জন্য পরিচিত এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডারকে নতুন মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের প্রধান ভরসা হিসাবেই দেখা হচ্ছে।
হাবাসের দল গঠনের পরিকল্পনায় ইতিমধ্যেই যোগ দিয়েছেন বরিস সিং। চুক্তি বেড়েছে মহম্মদ রশিদেরও। ২০২৮ সাল পর্যন্ত লালচুংনুঙ্গাকে ধরে রেখেছে ক্লাব। দলে এসেছেন পূর্বা লাচেনপাও। সেই তালিকায় নতুন সংযোজন রামিরেজ। এখন লক্ষ্য, আল আরাবিকে হারিয়ে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ টু-এর মূল পর্বে জায়গা করে নেওয়া। একই দিনে তুর্কমেনিস্তানের এফসি আরকাদাগের বিরুদ্ধে খেলবে এফসি গোয়া। এশিয়ার দরজায় কড়া নাড়ার আগে ভারতীয় ক্লাব ফুটবলের প্রস্তুতি যে পূর্ণ গতিতে চলছে, তা আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল।