নিউজ ডেস্ক: প্রশাসনের বেআইনি নির্মাণ উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়াল হরিয়ানার ফরিদাবাদে। গণপতি কলোনি এলাকায় একটি অবৈধ ধর্মীয় কাঠামো ভাঙতে গিয়ে স্থানীয়দের প্রবল বাধার মুখে পড়তে হলো পুরসভা ও প্রশাসনিক কর্তাদের। অভিযান রুখতে মহিলাদের সামনে এগিয়ে দিয়ে ঢাল করার চেষ্টা চললে পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তবে চরম উত্তেজনার মুখে পিছু না হটে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ময়দানে নামে মহিলা পুলিশ বাহিনী। আন্দোলনকারী মহিলাদের সরিয়ে দিয়ে কড়া হাতে পরিস্থিতি সামাল দেয় পুলিশ।
দেখুন: https://x.com/MeghUpdates/status/2102598975744606598?s=20
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরিদাবাদের গণপতি কলোনি এলাকায় সরকারি জমিতে গড়ে ওঠা একটি অননুমোদিত কাঠামো উচ্ছেদের নির্দেশ আগেই জারি হয়েছিল। সেই মোতাবেক পুলিশ ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের একটি যৌথ দল ভারী বুলডোজার ও ধ্বংসকারী সরঞ্জাম নিয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকায় পৌঁছায়। আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছানো মাত্রই স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি বড় অংশ উচ্ছেদের বিরোধিতায় নেমে পড়েন। প্রতিরোধ গড়ে তুলতে মহিলাদের সামনের সারিতে দাঁড় করিয়ে দেওয়া হয়, যাতে প্রশাসন কোনো কড়া পদক্ষেপ নিতে দ্বিধাগ্রস্ত হয়।
পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঠেকাতে অবিলম্বে তৎপর হয় ফরিদাবাদ পুলিশের মহিলা কনস্টেবল ও আধিকারিকদের বিশেষ দল। তাঁরা সরাসরি ঘটনাস্থলে নেমে আন্দোলনকারীদের ব্যারিকেড ভেঙে এগোনোর চেষ্টা রুখে দেন। এই সময় মহিলা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয় মহিলাদের তীব্র বাদানুবাদ ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই টানটান উত্তেজনার মাঝে পুলিশ কড়া অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, সরকারি জমি দখলমুক্ত করার কাজে কাউকে আইন নিজের হাতে তুলে নিতে দেওয়া হবে না। উচ্ছেদ কাজে সরকারি কর্মীদের ওপর হামলা বা কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গোটা গণপতি কলোনি চত্বরে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করে এলাকায় জারি রাখা হয়েছে কড়া নজরদারি।




