নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের বস্তারে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নকশাল দমনে নিরাপত্তাবাহিনীর ভূমিকা ও আত্মত্যাগের প্রশংসা করে তাঁদের পাশে থাকার বার্তা দিলেন তিনি। সেখানে উপস্থিত জওয়ানদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রথমেই দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান নরেন্দ্র মোদী। নিরাপত্তারক্ষীদের নিজের পরিবারের সদস্য বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'এই বছরের দীপাবলি সত্যিই বিশেষ। চার-পাঁচ দশকের দীর্ঘ সংগ্রামের পর দেশ আজ সম্পূর্ণভাবে নকশালবাদ ও মাওবাদী আতঙ্ক থেকে মুক্ত হয়েছে। দেশের সীমান্তে যাঁরা পাহারা দেন এবং দেশের অভ্যন্তরে শান্তি বজায় রাখতে যাঁরা কাজ করেন, তাঁরা প্রত্যেকেই তাঁর পরিবারের সদস্য। জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি কাটাতে পেরে তিনি গর্বিত বলেও জানান। বস্তারের মতো একসময় নকশাল প্রভাবিত এলাকায় এখন শান্তি ও উন্নয়নের নতুন পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মোদি। এই পরিবর্তনের পিছনে নিরাপত্তাবাহিনীর সাহস, নিষ্ঠা এবং দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের অবদান রয়েছে বলে জানান তিনি।'
২০২৬ সালের দীপাবলিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, 'কয়েক দশকের নকশাল ও মাওবাদী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে দেশ বড় সাফল্য পেয়েছে। দেশের প্রতিটি জেলা এখন নকশালমুক্ত এবং বহু মানুষ নকশাল আতঙ্ক কাটিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পেরেছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এই সাফল্যের কৃতিত্ব নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের পাশাপাশি দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষায় যুক্ত প্রত্যেক কর্মীর প্রাপ্য বলে জানান মোদী। শুধু দেশের ভিতরেই নয়, সীমান্তে কর্তব্যরত জওয়ানদেরও দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান তিনি।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করে আসছেন নরেন্দ্র মোদী। দেশের বিভিন্ন সীমান্তে গিয়ে জওয়ানদের সঙ্গে উদ্যাপন করেছেন আলোর উৎসব— কখনও সিয়াচেনে, কখনও কার্গিলে, কখনও সমুদ্রের মাঝে যুদ্ধবিমান বহনকারী জাহাজে। এবছর বস্তারে তাঁর এই উদযাপন নকশালবিরোধী অভিযানে যুক্ত বাহিনীর সদস্যদের প্রতি সম্মান জানানোর বিশেষ উপলক্ষ হয়ে উঠল।




