জঙ্গি সন্দেহে পূর্ব বর্ধমানের রেনেসাঁ টাউনশিপ থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন হামিম মন্ডল। প্রতিনিয়ত তাকে ঘিরে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে তদন্তকারীদের হাতে। এবার হাওড়ার পিলখানায় কারখানার হদিস মিলল। রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার অন্তর্গত পিলখানার ৭ নম্বর আলম মিস্ত্রি লেনে একটি ভাড়াবাড়িতে কারখানা চালাত হামিম মন্ডল। সেখানেই প্রিন্টিং, কার্ড ও বারকোড তৈরির কাজ চলত বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
বিগত আট থেকে দশ মাস ধরে ওই ভাড়াবাড়িতে কাজ চলছিল। তবে সেখানে হামিমকে খুব কম দেখা যেত। তবে মাঝের মধ্যেই বিভিন্ন যন্ত্রপাতি নিয়ে তাকে কারখানায় ঢুকতে দেখা গিয়েছে বলে দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের।
এ বিষয়ে বাড়ির মালিক মহম্মদ আলি বলেন, প্রায় বছর দুই আগে হামিমের বাবা তার কাছ থেকে দুটি ঘর ভাড়া নিয়েছিলেন। প্রতিমাসে এর জন্য ১১ হাজার টাকা ভাড়া দিতেন তারা। কারখানায় তিনজন কর্মী কাজ করতো। ভোটের ফলাফল আসার পর থেকে আর তাকে দেখা যায়নি। পরবর্তীতে তারা পূর্ব বর্ধমানের কুসুম গ্রামের নিজেদের বাড়িতে চলে যায়।
এই খবর চাউর হতেই গোটা এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। এই কারখানায় আরো কি কি কাজ চলতো তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ জুলাই পূর্ব বর্ধমানের রেনেসাঁ টাউনশিপের একটি জিম থেকে হামিম মণ্ডলকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার করে বেঙ্গল এসটিএফ। এরই পাশাপাশি তার বিশেষ বান্ধবীকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সবকিছু খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।