নিউজ ডেস্ক: ভোটের সকালেই উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের রেজিনগর। সকাল ৭টা বাজার আগেই সপরিবারে বুথে পৌঁছে ভোট দিলেন নওদার বিধায়ক তথা আজুপ নেতা হুমায়ুন কবীর। সকাল সকাল নিজের বুথে ভোটদান সেরে বেরিয়ে আসেন তিনি। তবে ভোট দেওয়ার পরই তাঁর বক্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে এলাকায়।
সকাল থেকেই রেজিনগর বিধানসভা এলাকায় ছিল কড়া নিরাপত্তা। বিভিন্ন বুথে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রাজনৈতিক দলগুলির কর্মী-সমর্থকদের তৎপরতাও বাড়তে থাকে। এর মধ্যেই ভোট দিয়ে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হন হুমায়ুন কবীর। তাঁর অভিযোগ, ভোটের আগে থেকেই তাঁর বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশ। শুধু তাই নয়, তাঁর দলের এজেন্টদের বুথে ঢুকতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
হুমায়ুনের দাবি, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর অভিযোগ, তাঁর দলের কর্মী-সমর্থকদের উপর অযথা চাপ তৈরি করা হচ্ছে এবং ভোটের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।
ভোট দিয়ে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে পুলিশের উদ্দেশে কার্যত হুঁশিয়ারির সুর শোনা যায় হুমায়ুন কবীরের গলায়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ভোটের দিন কোনও ধরনের অনিয়ম বা তাঁর দলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে অন্যায় আচরণ তিনি মেনে নেবেন না। পুলিশকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার বার্তাও দেন তিনি।
অন্যদিকে, রেজিনগরে সকাল থেকেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন। ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ রাখতে বুথগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। হুমায়ুন কবীরের অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। তাঁর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের তরফে কী পদক্ষেপ করা হয়, সেদিকেই এখন নজর।
ভোটের প্রথম ঘণ্টাতেই হুমায়ুন কবীরের এই বিস্ফোরক মন্তব্য রেজিনগরের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।