নিউজ ডেস্ক: কর্ণাটক পাবলিক সার্ভিস কমিশন (KPSC)-এর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া চেয়ারম্যান শিবশঙ্করাপ্পা সাহুকারকে ঘিরে নতুন তথ্য সামনে আনল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, নিজের শহরে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি বিশাল কমপ্লেক্স তৈরির পরিকল্পনা করেছিলেন অভিযুক্ত KPSC চেয়ারম্যান। সেই প্রকল্পে স্কুল, হস্টেল, খেলার মাঠ, শপিং মল এবং কনভেনশন হল তৈরির পরিকল্পনা ছিল বলে আদালতে জানিয়েছে ED।
৬২ বছর বয়সি শিবশঙ্করাপ্পা সাহুকার এবং এই মামলায় অভিযুক্ত KPSC সদস্য বি ভি গীথার জামিনের আবেদনের শুনানিতে এই তথ্য পেশ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সোমবার দুই পক্ষের সওয়াল-জবাব শেষ হয়েছে। এরপরই মামলার রায়দান স্থগিত রেখেছে বিশেষ আদালত।
ED-র বক্তব্য অনুযায়ী, ইয়াদগির জেলার শাহপুরে এই ‘ড্রিম প্রজেক্ট’ তৈরির পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ওই জমির মালিকানা ছিল সাহুকারের স্ত্রীর নামে। প্রকল্পের জন্য ইতিমধ্যেই স্থাপত্যের নকশাও তৈরি করা হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থা।
নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে ED-র দাবি। অভিযোগ, জানুয়ারি মাসে ভেটেরিনারি চিকিৎসক নিয়োগের পরীক্ষার উত্তরপত্র ফাঁসের ঘটনায় এক পরীক্ষার্থীর অভিভাবক ঘুষ দিয়েছিলেন। সেই অভিভাবককেই প্রস্তাবিত স্কুলটির কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার কথা ছিল বলে আদালতে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, KPSC নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শিবশঙ্করাপ্পা সাহুকার ও কমিশনের সদস্য বি ভি গীথার বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। জামিনের আবেদন ঘিরে শুনানিতে ED-র এই দাবি মামলাটিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। তবে ৩৫ কোটি টাকার প্রকল্প, জমির মালিকানা এবং প্রস্তাবিত স্কুলের কেয়ারটেকার নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়গুলি তদন্তকারী সংস্থার বক্তব্য হিসেবেই উঠে এসেছে। এবার দুই অভিযুক্তের জামিনের আবেদন নিয়ে বিশেষ আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর।




