দিল্লি, নিউজ ডেস্ক: কোনও ব্যক্তির অতীত কর্মকাণ্ড ঘিরে অভিযোগ উঠলে তার তদন্তের দাবি জানানো অস্বাভাবিক নয়। কিন্তু, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচয়পত্র বাতিল থেকে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট বন্ধ করে দেওয়ার মত পদক্ষেপ চাওয়া হলে বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে বিতর্কের জন্ম দেয়। এবার এমনই এক আবেদনকে কেন্দ্র করে আদালতের দারস্ত হয়েছেন এক ব্যক্তি। মামলাটি ঘিরে ইতিমধ্যে আইনি মহলে শুরু হয়েছে আলোচনা।
জানা গিয়েছে, বিচার বিভাগের বিরুদ্ধে কথিত অবমাননাকর মন্তব্যের অভিযোগে 'ককরোচ জনতা পার্টি'- এর মুখপাত্র ও সাংবাদিক সৌরভ দাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মাদ্রাজ হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হল। মামলাকারী গণেশ কুমারের আবেদন, সৌরভের অতীত কর্মকাণ্ডের নিরপেক্ষ তদন্ত করার আর্জি জানান। পাশাপাশি, বিচারবিভাগের বিরুদ্ধে তাঁর কথিত অবমাননাকর মন্তব্যের বিষয়টিও খতিয়ে দেখার আবেদন জানিয়েছেন তিনি।
আদালতে জমা দেওয়া আবেদনে একাধিক পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয়েছে। মামলাকারীর দাবি, সৌরভ দাসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুক কেন্দ্রীয় সরকার। এমনকি, তাঁর পাসপোর্ট ও আধার কার্ড বাতিল করা হোক এবং সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টগুলিকে ব্লক করা হোক এই আবেদন জানানো হয়েছে।
এই আবেদনটি গ্রহণ করে মাদ্রাজ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুশ্রুত অরবিন্দ ধর্মাধিকারী ও বিচারপতি জি অরুল মুরুগানের ডিভিশন বেঞ্চ। মামলার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, বিদেশ মন্ত্রক, বিচার ও আইন মন্ত্রক এবং এক্স ও ইনস্টাগ্রামের সংশ্লিষ্ট অভিযোগ নিষ্পত্তি আধিকারিকদের কাছে জবাব চেয়েছে আদালত। আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে তাঁদের নিজেদের বক্তব্য জানাতে বলা হয়েছে।
মামলাকারীদের আরও অভিযোগ, সৌরভ দাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানানো হলেও কোনও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। শেষ পর্যন্ত সেই কারণেই আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে তাঁকে। তবে, এই মামলায় আদালত এখনও চূড়ান্ত নির্দেশ দেয়নি। আপাতত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে আইনি প্রক্রিয়া।




