শেষ পর্যন্ত কি চেন্নাই সুপার কিংসেই যাচ্ছেন হার্দিক পাণ্ডিয়া? মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়কের সিএসকে-তে যাওয়া নিয়ে জল্পনা যতই জোরদার হোক না কেন, সেই জল্পনায় কার্যত জল ঢেলে দিল মুকেশ আম্বানির ফ্র্যাঞ্চাইজি। সম্প্রতি কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, হার্দিককে দলে টানতে শিবম দুবে-সহ দু'জন ক্রিকেটারকে মুম্বইয়ের হাতে তুলে দিতে পারে চেন্নাই। কিন্তু মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জনৈক মুখপাত্র স্পষ্ট জানিয়েছেন, চেন্নাই তো দূরের কথা, অন্য কোনও ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গেই এই মুহূর্তে কোনও ট্রেড নিয়ে আলোচনা চলছে না।
এ বছরের আইপিএলে মুম্বইয়ের পারফরম্যান্স ছিল হতাশাজনক। হার্দিকের নেতৃত্বে প্লে-অফেও উঠতে পারেনি ৫ বারের চ্যাম্পিয়নরা। তার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয় পাণ্ডিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে। ২০২৪ মরশুমের আগে তাঁকে অধিনায়ক করা হলেও, গুজরাত টাইটান্সের হয়ে যে সাফল্য তিনি পেয়েছিলেন, তা মুম্বই পল্টনকে দিতে পারেননি। এরই মধ্যে ড্রেসিংরুমে একাধিক সিনিয়র ক্রিকেটারের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলেও আলোচনা শুরু হয় বিভিন্ন মহলে।
এ হেন পরিস্থিতিতে একটি সাক্ষাৎকারে উক্ত মুম্বইয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘‘মরশুম-পরবর্তী পর্যালোচনার কাজ এখনও চলছে। দলের প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ট্রেড নিয়ে যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, তা একেবারেই সঠিক নয়। পর্যালোচনার কাজ শেষ হওয়ার আগে কোনও ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে। তবে এখনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি।’’
হার্দিক পাণ্ডিয়া সম্প্রতি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্ট শাখা থেকেও নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন। যা জল্পনাকে আরও উস্কে দিয়েছে। তবু মুম্বইয়ের অতীত রেকর্ড বলছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের কোর টিমকে ধরে রাখতেই বিশ্বাসী। হার্দিক পাণ্ডিয়ার পাশাপাশি রোহিত শর্মা, সূর্যকুমার যাদব ও জশপ্রীত বুমরাহ সেই কোর টিমেরই অংশ। এ দিকে ২০২৭ মরশুমের পরই পরবর্তী মেগা নিলাম হওয়ার কথা। তাই বড় পরিবর্তনের আগে আরও একটি মরসুম হার্দিক পাণ্ডিয়ার উপরেই আস্থা রাখতে পারে মুম্বই। একই সঙ্গে জোর জল্পনা, ২০২৭ সালের পরই আইপিএলকে বিদায় জানাতে পারেন রোহিত শর্মা।