নিউজ ডেস্ক: রেজিনগরের পাশাপাশি মঙ্গলবার সকাল থেকে নন্দীগ্রামেও শুরু হয়েছে বিধানসভা উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ। ভোটের শুরুতেই নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করলেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। এ দিন সকালে সস্ত্রীক ভোট দিতে বুথে পৌঁছন তিনি।
নন্দীগ্রামের সোনাচূড়া গাংড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২৮০ নম্বর বুথে গিয়ে ভোট দেন মিলন প্রধান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী অর্পিতা প্রধানও। সকালেই বুথে পৌঁছে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন তাঁরা। ভোট দিয়ে বুথ থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন কংগ্রেস প্রার্থী। ভোটারদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানিয়ে মিলন প্রধান বলেন, “মানুষ তাঁর গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবে। নন্দীগ্রামের মানুষ স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার চেষ্টা করবে।”
ভোটের শুরু থেকেই নন্দীগ্রামের বিভিন্ন বুথে ভোটারদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রশাসনের তরফেও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এদিকে, রেজিনগরেও ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টা থেকে। সেখানে ভোটের শুরুতেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। বুথে পোলিং এজেন্টদের প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে সিপিএম ও কংগ্রেস। সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে।
ফলে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম দুই কেন্দ্রেই ভোটের প্রথম পর্বে রাজনৈতিক মহলের নজর রয়েছে। কোথাও ভোটারদের উপস্থিতি, কোথাও আবার বুথ-সংক্রান্ত অভিযোগ—সব মিলিয়ে সকাল থেকেই সরগরম দুই বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটপর্ব। তবে নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে মিলন প্রধানের বক্তব্যে মূলত অবাধ ও স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার বিষয়টিই উঠে এসেছে। ভোটাররা শেষ পর্যন্ত কতটা নির্বিঘ্নে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, এখন সেদিকেই নজর।