নিউজ ডেস্ক: ৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভোট শুরু হওয়ার আধঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলল সিপিএম ও কংগ্রেস। বিরোধী দলগুলির দাবি, তাঁদের পোলিং এজেন্টদের বিভিন্ন বুথে ঢুকতে এবং বসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।
সিপিএম ও কংগ্রেসের অভিযোগ, রেজিনগরের দাদপুর অঞ্চলের মরাদিঘিতে ১১২, ১১৩, ১১৪ এবং ১২২ নম্বর বুথে পুলিশ তাঁদের পোলিং এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দিচ্ছে না। ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে গেলেও এজেন্টদের বুথে প্রবেশে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়েছে বলে খবর।
শুধু মরাদিঘিই নয়, কাশীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ৯৯ এবং ১০০ নম্বর বুথ নিয়েও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের দাবি, ওই দুই বুথে তাঁদের পোলিং এজেন্টদের বসতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। ফলে ভোটের শুরুতেই নির্বাচন পরিচালনা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা।
এর আগে রেজিনগরের মির্জাপুর খাগড়ু পাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮৫ এবং ৮৬ নম্বর বুথেও পুলিশের বিরুদ্ধে সংবাদ সংগ্রহে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের দাবি, নির্বাচন কমিশনের ইস্যু করা পাস দেখানো সত্ত্বেও তাঁদের বুথ পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি। সূত্রের খবর, সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত ওই দুই বুথে মোট ৩০ জন ভোট দিয়েছেন।
অন্যদিকে, রেজিনগরে ভোট দিয়ে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরও। তাঁর অভিযোগ, তাঁর বাড়ি ঘিরে রাখা হয়েছে এবং তাঁর দলের এজেন্টদের বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ নিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ জানান তিনি।
একই সকালে একাধিক বুথে এজেন্টদের প্রবেশ এবং সংবাদ সংগ্রহে বাধার অভিযোগ সামনে আসায় রেজিনগরের ভোটপর্বের শুরুতেই তৈরি হয়েছে চাপা উত্তেজনা। যদিও অভিযোগগুলির বিষয়ে পুলিশ বা নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি। অভিযোগগুলি কতটা সত্য এবং প্রশাসনের তরফে কী পদক্ষেপ করা হয়, এখন সেদিকেই নজর।