কলকাতা, নিউজ ডেস্ক: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে একের পর এক সভে করছে বিরোধীরা। এবার পাল্টা 'নৈরাজ্য শেষ করে গণতন্ত্র বাঁচানোর' ডাক দিয়ে রাস্তায় নামছে বিজেপি। সোমবার একযোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মিছিল করবে গেরুয়া শিবির। কলেজ স্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল হবে। মিছিলের নেতৃত্বে থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীন। তাঁর সঙ্গে মিছিলে হাঁটবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য-সহ দলের অন্যান্য নেতৃত্বরা। মিছিল শুরু আগে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেন বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়।
দিল্লির রামলীলা ময়দানে INDIA জোটের মহাসমাবেশের মঞ্চ থেকে বিজেপির বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানান বাংলার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোনিয়া গান্ধীকে ‘আমার নেত্রী’ এবং রাহুল গান্ধীকে ‘তরুণ নেতা’ বলে সম্বোধন করে বিরোধী জোটের ঐক্যের বার্তা দেন তিনি। একইসঙ্গে গণতন্ত্র রক্ষার লড়াইয়ে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ডাকও শোনা যায় তাঁর কণ্ঠে। মমতা বলেন, ‘ভ্যানিশ কুমার, আপনি ভোট ভ্যানিশ করে দিয়েছেন। মানুষের চাকরি, ভোটাধিকার, জীবন সব লুট করেছেন। আমাদের একটাই কথা, আগে ভ্যানিশ হটাও, তারপর অন্য কাজ।'
এরপর মমতা তোপ দেগে জাজবাত ২৪ বাংলার ক্যামেরার মুখোমুখি হয়ে শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেন, 'উনি তো জানেন এতদিন কী করেছেন। আমাদের কত কর্মীর মায়ের কোল খালি হয়েছে, কত বোনের সিঁদুর মুছে গেছে! বাংলার মানুষ কিছু ভুলে যায়নি। মানুষ দেখেছে এতদিন কীভাবে ভোট হত। এসব বন্ধ করুন, অনেক বয়স হয়েছে। এবার বিশ্রাম নিন আপনি। তীর্থ করুন। ধর্মকর্ম করুন। বাংলার মানুষ তো দু'গালে চড়াম চড়াম করে পাঠিয়ে দিয়েছে। এখন ওখানে গিয়ে শুরু করেছেন। তিনি আরও বলেন, 'কংগ্রেস, সিপিএম, বালিশ, চটি সব এক হয়ে যাবে। যখন জানবেন চোরেরা এক হয়েছে, তখন মেনে নিতে হবে রাজা সঠিক আছে।'




