JAZZBAAT 24 BANGLA
১৩ সেপ্টে ২০২৬, ০৯:৫৪ এএম
Breaking
পুজোয় 'খারাপ খাবার' দিলেই বিপদ, হেল্প লাইন নম্বর চালু করল জেলা প্রশাসন লটারির টিকিটে এক কোটি! রাতারাতি কোটিপতি বাগদার দিনমজুর যে লেখায় বাংলা আজও নিঃশব্দে বেঁচে আছে 'ওঁদের কথায় কোনও যায় আসেনা', ঋতব্রতকে তীব্র নিশানা সৌগত রায়ের বিশ্ব রাজনীতির হেভিওয়েটরা এবার হাতে গাছ, BRICS মঞ্চে পরিবেশ রক্ষার বার্তা তল্লাশির নামে চরম হেনস্থা! শিক্ষিকাদের গোপনাঙ্গে হাত দেওয়ার অভিযোগ সাঁকরাইলে কিনছেন এয়ার ফ্রায়ার? জেনে নিন পরিষ্কারের কৌশল অস্কার-ইস্টবেঙ্গল ইস্যু, ISL-জয়ী কোচ নিয়ে মুখ খুললেন সন্দীপ নন্দী, বললেন, ব্রুজো ভাল মনে... পুজোয় 'খারাপ খাবার' দিলেই বিপদ, হেল্প লাইন নম্বর চালু করল জেলা প্রশাসন লটারির টিকিটে এক কোটি! রাতারাতি কোটিপতি বাগদার দিনমজুর যে লেখায় বাংলা আজও নিঃশব্দে বেঁচে আছে 'ওঁদের কথায় কোনও যায় আসেনা', ঋতব্রতকে তীব্র নিশানা সৌগত রায়ের বিশ্ব রাজনীতির হেভিওয়েটরা এবার হাতে গাছ, BRICS মঞ্চে পরিবেশ রক্ষার বার্তা তল্লাশির নামে চরম হেনস্থা! শিক্ষিকাদের গোপনাঙ্গে হাত দেওয়ার অভিযোগ সাঁকরাইলে কিনছেন এয়ার ফ্রায়ার? জেনে নিন পরিষ্কারের কৌশল অস্কার-ইস্টবেঙ্গল ইস্যু, ISL-জয়ী কোচ নিয়ে মুখ খুললেন সন্দীপ নন্দী, বললেন, ব্রুজো ভাল মনে...

তসলিমার প্রত্যাবর্তনে বিস্ফোরক মালিনী, পাল্টা দিলেন সঙ্গীতা

তসলিমার প্রত্যাবর্তনে বিস্ফোরক মালিনী, পাল্টা দিলেন সঙ্গীতা

'এই শ্রাবণে ফিরছেন...তিনি ফিরছেন 
ফিনিক্স হয়ে ফিরছেন...তিনি ফিরছেন 
ফিরছেন এই তিলোত্তমার বুকে
বছর কুড়ি পর;
বন্ধ করতে মৌলবাদের স্বর 
তুলবেন ফের প্রতিবাদের ঝড়!
নিয়েছেন প্রতিবাদের মশাল 
জ্বালানোর জিম্মা--
নাসরিন তসলিমা।'

জীবন গিয়েছে চলে--কুড়ি,কুড়ি বছরের পর! পোষা বেড়াল 'টুনি'কে ছেড়ে এক মনখারাপ:পাতার ফাঁকে হলদে সবুজ ছায়াঘেঁষা বিকেলে চলে গেছিলেন তিনি। খুব তাড়া ছিল তাঁর-- প্রাণনাশের আশঙ্কা।

তখন পশ্চিমবঙ্গের মসনদ 'লাল' রঙে রাঙানো। তারপর গঙ্গা-পদ্মা দিয়ে বহু জল বয়ে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি বদল হল; সবুজ --তারপর গেরুয়া। মানুষের মনমেজাজেরও বদল ঘটেছে! তবে, কল্লোলিনীর বুকে প্রতিবাদের মশাল জ্বালাতে আর ফিরে আসেননি তসলিমা নাসরিন। ফিরবেন কী করে? না বাংলাদেশ,না পশ্চিমবঙ্গ--কেউই তাকে বাঙালি সম্মান দিয়ে স্বীকার করতেই চায়নি।

সেই ঘটনার এবার পালাবদলের পালা। 'দ্বিখন্ডিত' মন নিয়ে সেই যাপন দিনগুলি কাটিয়ে এবার পশ্চিমবঙ্গে প্রত্যাবর্তন করছেন তিনি। সৌজন্যে পশ্চিমবঙ্গের নতুন শাসকদল বিজেপি।আরো ভালো করে বললে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং অন্যান্যরা তাঁকে 'ফিরিয়ে আনছেন।' সেই ঘটনা প্রসঙ্গে যাদবপুরের প্রাক্তন বিধায়ক মালিনী ভট্টাচার্য বিশেষভাবে কড়া সমালোচনা করেন।যারা ভারতে হিন্দুত্বকে রাজনৈতিক এজেন্ডা হিসেবে ব্যবহার করছেন, সেই 'মনুবাদীদের' মঞ্চে বসে তসলিমা নাসরিনের ধর্মনিরপেক্ষতা বা লিঙ্গসাম্যের দাবি করা সম্পূর্ণ অসঙ্গত। তিনি তসলিমা নাসরিনকে প্রচারের আলো থেকে বেরিয়ে এসে এই রাজনৈতিক বাস্তবতাকে বোঝার পরামর্শ দিয়েছেন।

ঠিক সেই সময়ই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মালিনী ভট্টাচার্যকে নিশানা করে লেখিকা সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেন--
"মালিনী দেবী ভুলে গেছেন যে বাংলাদেশ থেকে তসলিমাকে দেশ ছাড়া করা হয়েছিল তাই শুধু নয়, মুক্তমনাদের রাস্তায় কোপানোও হয়েছিল। ফলে বাংলাদেশের লেখকদের নিরাপত্তার কথাটা উনি ওঁর অজ্ঞতা থেকে বলেছেন।
আর তসলিমা খুব খারাপ লেখক হলেও ওঁকে কল্লা করার অধিকার কারো হয় না, আর কলকাতা কেন, কোন শহর থেকেই ওঁকে বিতাড়িত করার দাবী কেউ করতে পারে না।
অনেককেই লিখতে দেখলাম তসলিমা তো এমন কিছু ভালো লেখক নন। দেকার্তে বলেছিলেন," I think, therefore I am",  আর কান্ট বলেছিলেন যে movement of thoughts are most important, (Old theories are often wrong, ideologies are often wrong, arguments and logics change. But the #moves #were #everything.)
তার মানে একটা চিন্তা, তার ignition যদি আরও একটা চিন্তাকে ঠেলে বের করে আনে, সেখান থেকে আরও চিন্তা তৈরি হয়, এবং আরও- সেটাই সবচেয়ে জরুরি আর গুরুত্বপূর্ণ। পৃথিবীতে বহু চিন্তা বাতিল হয়ে গেছে, অসংখ্য school of thoughts বাতিল হয়ে গেছে, কিন্তু যেটা ফুকো বলেছিলেন যে the technicality of civilisation সেটা কী, সেটা তো মূলত অসংখ্য চিন্তা থেকে তৈরি হওয়া চিন্তার সারি। আপনি অস্বীকার করতে পারেন যে এই subcontinent'এ ইসলামিক মৌলবাদকে critically দেখার আধুনিক চোখটা তসলিমার? বাংলাদেশের মেয়েদের জিজ্ঞেস করুন যে তসলিমা তাদের কাছে কী! সমস্ত লেখক একদিন পুরোনো ও অনাধুনিক হয়ে যান। কিন্তু এটাই আধুনিক বামপন্থা যে লেখকদের use and throw করো, যদি সেই লেখক liberalism'এর নামে কট্টরপন্থী মুসলিমদের তোষণ করতে রাজি না হন।

আপনারা তসলিমাকে যথেষ্ট নারীবাদী মনে করেন না। আপনারা বোরখায় মুখ ঢাকা মেয়েদের বেশী স্বাধীন মনে করেন কারণ her identity is her right, কিন্তু ওই একই কারণে লাখ, লাখ হিন্দু মেয়েদের বাতিল করে দেন নারীবাদের প্ল্যাটফর্ম থেকে, নারীবাদের ট্রেনে তাদের জায়গা হয় না। যখনই হিন্দুদের identity'র প্রসঙ্গ আসে মনুবাদে চলে যান, একমাত্র আপনাদের কৃপাতেই আজ 'মনুস্মৃতি' beyond memory হয়ে যেতে পারেনি, আপনারাই মনুকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। এদিকে নারীবাদের নামে অধিকাংশ মেয়েকেই আপনারা কলঙ্কিত করে দিচ্ছেন, কারণ আপনাদের কাছে নারীবাদী মেয়ে মানে এক ধরনের perfect মেয়ে, এমন একটা combination যে একাধারে মানসিক চরিত্র Convent'এর Nun'এর মত আর শরীরের চরিত্র brothel'এর lady'র মত। স্বামী cheat করলে সেখানে নারীবাদের নিয়ম মেনে স্বামীকে divorce না দিলে যথেষ্ট নারীবাদ হল না, মানুষের সঙ্গে মানুষের end to end relationship'এর nuances কিছু matter করে না, এদিকে নিজে cheat করে ধরা পড়লে 'পরমা'র মত নারীর মনের অধিকার, শরীরের অধিকার, যৌনতার right, 10 লাখ বছরের oppression, psychoanalytics এগুলো চলে আসবে। আপনাদের নারীবাদ এমন আঁটো, সাঁটো যে তাতে তো দেখা যাচ্ছে ১৪ আনা নারীই বাদ পড়ে যাবে।

তসলিমা কেন কলকাতায় আসছেন? তসলিমা 501'টা কারণে কলকাতায় আসতে পারেন। যেমন ধরা যাক রসগোল্লা খেতে চলে এলেন। বা পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে থাকবেন বলে এলেন। গড়িয়াহাটে shopping করবেন বলে এলেন। কিন্তু,
তসলিমার কলকাতায় না আসার কারণ তো দেখা যাচ্ছে মাত্র 1'টাই। আর সেটা হল মৌলবাদী কল্লা প্রিয় মুসলিমদের দাবী। যে তসলিমা কলকাতায় আসবেন না। সেই 1টা কারণ নিয়ে মাথা ঘামান। কেন আসবেন এই কারণ নিয়ে কূটকচালি করার কোন প্রয়োজন নেই।

শাক দিয়ে মাছ আপনারা আর কত ঢাকবেন?

আমার বক্তব্য সব সময়ই এক। মুসলিমরা ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশ টুকরো করেছে। যে মুসলিমরা দেশ ভাগের পরেও এই টুকরোটায় রয়ে গেছে তাদের উচিত না ভারতবর্ষের হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রীষ্টানদের obligated feel করানো। এটা এই জন্য বলছি যে অনেক সময় অনেকে বলেন যে যে মুসলিমরা দেশ ভাগের পরেও এই খণ্ডটায় রয়ে গেছে তারা তো ভালোবেসেই রয়ে গেছে। খুব সত্যি কথা। কিন্তু বাকি ভারতীয়দের এর জন্য গলা জলে দাঁড়িয়ে কৃতার্থ বোধ করতে হবে এরকম কিন্তু নয় ব্যাপারটা। ভালো decision নিয়েছেন থেকে গেছেন। কিন্তু you cannot eat the cake and keep it also! যত politely'ই বলি না কেন, একবার দেশ যখন শুধু মুসলিমদের দাবীতে ভাগ হয়েছে তখন এখনকার ভারতবর্ষে moderate ইসলাম practice করুন। এত ইসলামিক sentiment'এর ধাক্কা আর কেউ নিতে চায় না। Simple, moderate practice should suffice. সেই জন্য তসলিমা আসবেন, you shouldn't have any problem। এটা আপনাদের দেখার বিষয়ই না। ওই deal close হয়ে গেছে 1947'এ। তসলিমা আসবেন, সলমন রুশদি আসবেন। সেই জন্য ভারতবর্ষের development, progress'এর জন্য মসজিদ সরাতে হলে সরাতে হবে। The deal has closed long back. এখন বাকি ধর্ম গুলো priority পাবে, এখন ভারতবর্ষের অগ্রগতি priority পাবে। Why only Islamic identity will matter? Every identity matters! সে যদি আপনাদের নারীবাদের সঙ্গে perfectly fit না করে তাও।

আমার মতে after 1947 এই মাটিতে ইসলামিক rights অনেক পরে considered হওয়া উচিত। Human rights  should be enough. বাকিদের কারো কোন অসুবিধা না করে যতটা ধর্ম পালন করা যায় ততটাই করা উচিত। হ্যাঁ সংবিধানের কথা আমার যথেষ্ট মাথায় আছে। সংবিধান কাউকে হুজ্জোতি করার অধিকার দেয়নি। ভয় দেখানোর অধিকার দেয়নি। ফতোয়া দেওয়ার অধিকার দেয়নি।"

অর্থাৎ এটা বোঝাই যাচ্ছে, কুড়ি বছর বড় লম্বা সময় হলেও, এখনও 'বন্ধু'হীনা হননি 'আগুনপাখি' তসলিমা। আসলে 'লজ্জা' ঢাকার দায় সমাজের সবারই। সেই বার্তাই দেবেন তিনি আগামী ১লা আগস্ট,কোন এক বর্ষণমুখর বিকেলে।

52 Views 0 Likes 0 Comments

Related News

পুজোয় 'খারাপ খাবার' দিলেই বিপদ, হেল্প লাইন নম্বর চালু করল জেলা প্রশাসন
মহানগর

পুজোয় 'খারাপ খাবার' দিলেই বিপদ, হেল্প লাইন নম্বর চালু করল জেলা প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজ্যজুড়ে চলছে খাদ্য সুরক্ষা অভিযান। সাধারণ মানুষের জন্য স্বাস্থ্যকর এবং নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করতে পথে নেমেছে প্রশাসন। এই পরিস্থিতিতে নম্বর দেওয়া হল খাদ্য-দফতরের তরফে। পুজোয় খারাপ খাবার বিক্রি করলেই এব...

১২ সেপ্টে ২০২৬, ১০:৩৩ পিএম · 2 মিনিট
'ওঁদের কথায় কোনও যায় আসেনা', ঋতব্রতকে তীব্র নিশানা সৌগত রায়ের
মহানগর

'ওঁদের কথায় কোনও যায় আসেনা', ঋতব্রতকে তীব্র নিশানা সৌগত রায়ের

এই বিষয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, 'এখনও প্রতীক নিয়ে কোনও চূড়ান্ত নেওয়া হয়নি।' আসল তৃণমূল প্রসঙ্গে প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলে, 'আমাদের কোনও যায় আসেনা ঋতব্রত বন্দ্য়োপাধ্যায় কী বললো।

১২ সেপ্টে ২০২৬, ০৮:১০ পিএম · 2 মিনিট
তারাতলা কাণ্ডে ধৃত পুরকর্মী, তুমুল বিক্ষোভ কলকাতা পুরসভার ‘বিল্ডিং’ দফতরে
মহানগর

তারাতলা কাণ্ডে ধৃত পুরকর্মী, তুমুল বিক্ষোভ কলকাতা পুরসভার ‘বিল্ডিং’ দফতরে

পুর-ইঞ্জিনিয়ারদের দাবি, তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ভেঙে পড়ার ঘটনায় আমিনুর কোনও ভাবেই যুক্ত নন। অবিলম্বে তাঁকে ছাড়া না হলে পুর-ইঞ্জিনিয়াররা বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকিও দিয়েছেন।

১২ সেপ্টে ২০২৬, ০৫:১৯ পিএম · 2 মিনিট
গণেশপুজোর মঞ্চে বামেদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু
মহানগর

গণেশপুজোর মঞ্চে বামেদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক শুভেন্দু

গণেশপুজোর মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে মানুষের মধ্যে কোনও বিভাজন তৈরি করা উচিত নয়। বাঙালি, হিন্দিভাষী, গুজরাটি, মারোয়াড়ি—ভাষা বা সম্প্রদায়ের পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে সকলকে একসঙ্গে দেশের স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

১২ সেপ্টে ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম · 2 মিনিট

Top Comments (0)

No approved comments yet.