নিউজ ডেস্ক: নিউজ ডেস্ক: বাংলার দুটি বিধানসভা আসনের উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। পুজোর ছুটির আবহেই দুই নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়কের শপথগ্রহণের আয়োজন শুরু হয়েছে। আগামী বুধবার দুই কেন্দ্রের জয়ী দুই বিজেপি বিধায়ক হাসিরানি রথ ও শাখারভ সরকার। শপথ নেবেন বিধানসভায়। বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসু তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিত থাকার কথা।
গত ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়। তার তিন দিন পরে, ৯ অক্টোবর হয় গণনা। নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর, দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন দুই বিজেপি প্রার্থী। ভোটের ফল প্রকাশের পর তাঁদের বিধায়ক পদে শপথ নেওয়া নিয়ে জল্পনা চলছিল। এবার সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে চলেছে। হাসিরানি রথ নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন। অন্যদিকে, রেজিনগর কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থী শাখারভ সরকার। দুই কেন্দ্রেই উপনির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সংশ্লিষ্ট আসনগুলি খালি হওয়ার কারণে। বুধবারের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিধানসভার সদস্য হিসেবে তাঁদের দায়িত্ব পালনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে।
নন্দীগ্রামে জয়ী হাসিরানি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রয়াত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথের মৃত্যুকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। সন্তান হারানোর শোকের মধ্যেই নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন হাসিরানি। ১ লক্ষ ২২ হাজার ৭৫৩ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ। ভোটগণনার শুরু থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বীদের পিছনে ফেলেছিলেন তিনি। শেষ পর্যন্ত সেই ব্যবধান এমন জায়গায় পৌঁছল, যা নন্দীগ্রামের নির্বাচনী ইতিহাসে নতুন নজির তৈরি করল।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি ভবানীপুরেও প্রার্থী হন। দুটি আসনেই জয়ের পর নন্দীগ্রাম আসনটি ছাড়েন। অন্যদিকে, আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর নওদা ও রেজিনগরে জিতেছিলেন। তিনি রেজিনগর আসনটি ছাড়েন। তার ফলে দুটি আসনে উপনির্বাচন হয়। দুটি আসনেই বিপুল ভোটে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থীরা।




