২১ জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে তৃণমূলের দুই শিবিরের আলাদা সমাবেশের আবহে রাজনৈতিক বার্তা স্পষ্ট করলেন একাংশের তৃণমূল কর্মী-সমর্থক। অন্য বছরের মতো বড় বড় মিছিল বা সঙ্ঘবদ্ধভাবে নয়, এদিন অনেকেই ট্রেন, বাস ও মেট্রোয় করে পৃথকভাবে কালীঘাটমুখী হন। তাঁদের গন্তব্য ছিল তারামণ্ডলের সামনে আয়োজিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা।
ময়দান মেট্রো স্টেশন থেকে বেরিয়ে আসা একাধিক তৃণমূল কর্মী-সমর্থকের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভাতেই যোগ দিতে এসেছেন। কোন তৃণমূলের সভায় যাচ্ছেন, এই প্রশ্নের উত্তরে তাঁদের বক্তব্য, “অবশ্যই দিদির সভায় যাব। দিদি ছাড়া অন্য কিছু বুঝি না। বিজেপির বি টিমের সভায় যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।”
তাঁদের এই মন্তব্যকে ঘিরে ঋতব্রত শিবিরের প্রতি কটাক্ষের সুর স্পষ্ট হয়ে ওঠে। দুই শিবিরের পৃথক কর্মসূচির জেরে রাজনৈতিক মহলে যখন নানা জল্পনা চলছে, তখন সাধারণ কর্মীদের একাংশ প্রকাশ্যে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দেন।
এদিকে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচিকে ঘিরে কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। দুই শিবিরের পৃথক সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়লেও, কর্মীদের একাংশের বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে তাঁরা নিজেদের নেতৃত্ব হিসেবে শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই মানেন। এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।




