খাদ্যে ভেজাল! কানপুরে ধরা পড়ল ভেজাল হলুদ। ঘটনাটি ঘটেছে কানপুরের পাঙ্কিতে। পীতাম্বর এন্টারপ্রাইজ়েস নামে একটি মশলা কারখানায় চালের গুঁড়োতে মেশান হচ্ছিল হলুদ রঙের বিষাক্ত তরল! এর ফলেই তৈরি হত হলুদ গুঁড়ো। এই ঘটনাটি হাতেনাতে ধরে ফেলেন ওই কারখানা পরিদর্শনকারী
'ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন' বিভাগের আধিকারিকরা।তারা লক্ষ্য করেন সেখানে কোন গোটা হলুদ নেই, অথচ হলুদ গুঁড়ো রয়েছে! সেই সূত্র ধরেই তারা পাঁচ কোটি ছিয়াশি লক্ষ টাকার ভেজাল মশলা বাজেয়াপ্ত করেছেন।
তদন্তকারী দলটি ওই মশলার গুঁড়ো খাদ্য বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠিয়েছেন। মোট ছয়টি নমুনা খাদ্য বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে লঙ্কাগুঁড়ো,ধনেগুঁড়ো, জিরেগুঁড়ো,এবং এগুলির মধ্যে মেশানোর জন্য রাখা বিষাক্ত তরল। সহকারী খাদ্য কমিশনার এব্যাপারে মন্তব্য রেখেছেন--
'তদন্ত থেকে প্রাপ্ত সামগ্রীগুলিকে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।' অভিযানকারী দলটির নেতৃত্ব দেন উমাশঙ্কর সিং, রজনীশ রায় এবং সঞ্জয় শর্মা সহ খাদ্য দফতরের অন্যান্য আধিকারিকরা।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই বছরের এপ্রিল মাসে হায়দরাবাদের সিটি পুলিশের টাস্ক ফোর্স অভিযান চালায় একটি মশলা প্রস্তুত কারখানায়। সেখান থেকে চার হাজার বত্রিশ কেজি ভেজাল বাটামশলা বাজেয়াপ্ত করেছিলেন তারা। এছাড়াও ৬২১০ কেজি নিম্নমানের কাঁচামাল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল। গ্রেফতার হয়েছিলেন ওই সংস্থার মালিক হাসান আলি রূপানী। এই ঘটনা থেকে সমাজ কী সচেতন হবে?