বৃহস্পতিবার (১৪ আগস্ট,২০২৬) দুবাই থেকে ভারতে প্রত্যর্পণ করা হল কুখ্যাত মাদক পাচারকারী বীরেন্দ্র সিং বসিয়াকে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মাদকসংক্রান্ত অপরাধের বিরুদ্ধে ভারতের চলমান লড়াইয়ে এই পদক্ষেপকে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলছেন, 'নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে বাসোয়াকে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ বা কঠোর অবস্থানের নীতিতে একটি নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।' স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অপরাধীকে খুঁজে বের করতে আমাদের সংস্থাগুলো যে সামগ্রিক ও নিবিড় কৌশল গ্রহণ করেছে, তার মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো যে মাদক পাচারকারীরা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক না কেন, ভারতীয় আইনের দীর্ঘ হাত থেকে তারা রেহাই পাবে না।’
বীরেন্দ্র সিং বদিয়া'র মাদক-মাফিয়া হিসেবে বহু কোটি টাকার আন্তর্জাতিক কোকেন সিন্ডিকেটের যোগসূত্র আছে। পুনেতে প্রায় ৬০০০ কোটি টাকার বিশাল এক মাদক মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ আছে বীরেন্দ্র সিং বসিয়া'র বিরুদ্ধে।এছাড়া, বসিয়ার সাথে সন্দীপ ধুনিয়ার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। দিল্লি পুলিশের তরফে দায়ের করা ১৩০০০ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার মামলায় সন্দীপ ধুনিয়া ছিল প্রধান সন্দেহভাজন। তবে ধুনিয়া দুবাই থেকে পালিয়ে পাকিস্তানে চলে যায়।
এর আগেও বসিয়ার বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করেছিল এনসিবি। রেড নোটিশ অর্থাৎ, বিশ্বজুড়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর কাছে কোনো ব্যক্তিকে খুঁজে বের করা এবং প্রত্যর্পণে প্রক্রিয়া চলার সময় ওই ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে গ্রেফতার করার একটি অনুরোধপত্র। দুবাইয়ে বসিয়াকে গ্রেফতার ও পরবর্তীতে তাকে ভারতে ফিরিয়ে আনার বিষয়টি ভারত সরকার এবং আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে বৃহত্তর সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার উল্লেখ্য নিদর্শন।