বাঁকুড়া, নিউজ ডেস্ক: আদালতে নেই পর্যাপ্ত কর্মী। কর্মী অভাবে একাধিক কাজে সমস্যার অভিযোগ। এবার সমস্যার সমাধানের দাবিতে কর্মবিরতি আদালতের কর্মীদের। যার জেরে ব্যাহত হয় পরিষেবা। দ্রুত শূন্য পদে নিয়োগ, কাজের চাপ কমানো সহ পরিকাঠামো উন্নয়নের দাবিতে কর্ম বিরতির সিদ্ধান্ত আদালত কর্মীদের। সারা রাজ্য জুড়ে কর্মীদের এই আন্দোলন অব্যাহত। যার আঁচ এসে পড়েছে বাঁকুড়া আদালতেও। বাঁকুড়া জেলা আদালতে মঙ্গলবার কর্ম বিরতি অব্যাহত।
আন্দোলনকারী আদালত কর্মীদের দাবি, শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ, কাজের চাপ কমানো, আদালতের পরিকাঠামো ঠিক করা ও দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি করতে হবে। শুধু তাই নয় এই দাবি সহ বিভিন্ন দাবিতে সারা রাজ্যের পাশাপাশি বাঁকুড়া জেলা আদালতে আজও কর্মবিরতি অব্যাহত আদালত কর্মীদের। কর্মবিরতির জেরে এদিনও আদালতের সমস্ত কাজ ব্যহত হয়।
রাজ্যের আদালত গুলিতে দীর্ঘদিন ধরে কর্মী নিয়োগ বন্ধ রয়েছে। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন আদালত থেকে একাধিক কর্মী অবসরের পর অন্যান্য কর্মীদের উপর বাড়ছে কাজের চাপ। স্বাভাবিকভাবে নাভিশ্বাস উঠছে আদালত কর্মীদের। একদিকে কর্মীর সংখ্যা কম অন্যদিকে কাজের চাপ নিত্যদিন বাড়ায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে সকলকে। অন্যদিকে একের পর এক কর্মী অবসর নেওয়ায় রাজ্যের প্রতিটি আদালত চরম কর্মচারি সঙ্কটে ভুগছে।
পরিস্থিতি এমনই যে ৩ জন কর্মচারির কাজ করতে হচ্ছে একজন কর্মচারিকে। ফলে মাত্রাতিরিক্ত কাজের চাপে দিশেহারা আদালতের কর্মীরা। শুধু তাই নয় আদালতের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন দীর্ঘদিন ধরে সেভাবে না হওয়ায় প্রতিনিয়ত সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে আদালতের কর্মীদের। এর পাশাপাশি প্রতিটি মামলার বিচার প্রক্রিয়া বিলম্বিত হতে থাকায় নাকাল হচ্ছেন সাধারণ বিচারপ্রার্থীরা।
অবিলম্বে এই সমস্যাগুলি সমাধানের দাবিতে রাজ্য জুড়ে প্রতিটি আদালতে দুদিন কর্মবিরতির ডাক দেয় আদালতের কর্মচারিরা। কর্মবিরতির আজ শেষ দিন। আদালতের কর্মচারিদের কর্মবিরতির প্রভাবে এদিনও বাঁকুড়া জেলা আদালতে সমস্ত ধরনের কাজ বন্ধ থাকে।
এদিন বিচার পেতে আসা সাধারণ মানুষকেও ভুক্তভোগী হতে হয়। স্বাভাবিকভাবে আগামীতে আদালত কর্মীদের এই দাবি কতটা পূরণ হয়? শূন্য পদে আদৌ দ্রুত নিয়োগ হবে কিনা? সে আশঙ্কা করছে প্রত্যেকে। সূত্রের দাবি, এই সমস্যার দ্রুত সমাধান করবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। কবে এই সমস্যার সমাধান হয় তার দিকে তাকিয়ে সকলে।