পশ্চিম বর্ধমান, নিউজ ডেস্ক - পেরোয়নি একটা মাসও। তার মধ্যেই আবারও ঘটলো ভয়ংকর ঘটনা। মাস ঘুরতে না ঘুরতেই ফের অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হল অন্ডালের খান্দরা গ্রামের নীলকন্ঠ মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। রাতের অন্ধকারে হঠাৎ একটি ফাঁকা জায়গায় বড়সড় পরিবর্তন নজরে আসে। সকালে বিষয়টি সামনে আসতেই ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। বারবার একই এলাকায় এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় এবার স্থানীয়দের প্রশ্ন আগের ঘটনার পর নিরাপত্তার যে ব্যবস্থা করার কথা ছিল, তা কতটা কার্যকর হয়েছে?
জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে নীলকন্ঠ মন্দির থেকে কিছুটা দূরে থাকা জায়গায় ফের বড় আকারের ধসের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার সকালে এই বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন ইসিএল-এর কয়েকজন আধিকারিক। তবে, গোটা পরিস্থিতি নিয়ে ক্যামেরার সামনে কোনও রকম মন্তব্য করতে চাননি তাঁরা। এর আগে কিছুদিন আগেই এই এলাকায় জনবসতির খুব কাছেই ধসের সৃষ্টি হয়। আচমকাই মাটি বসে যাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন স্থানীয়রা। নিরাপত্তার কথা ভেবে সেই মুহূর্তে ঘর ছাড়েন কিছু সংখ্যক এলাকাবাসীরা। ঘটনায় রানীগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পৌঁছে স্থানীয়দের পাশে থাকার বার্তা দেন।
সেই ঘটনার পর থেকে আধিকারিকরা ধস কবলিত এলাকা বিপদজনক বলে চিহ্নিত করে। সেখানে ফ্রেন্সিং করা হয়েছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, ফ্রেন্সিং এর ব্যবস্থা করে সাধারণ মানুষদের সুরক্ষার ব্যবস্থা আজও হয়নি। এর মধ্যেই ফের নতুন করে ধসের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। শুক্রবার রাত্রে নীলকন্ঠ মন্দিরের একটু দূরে আবারো একটা ফাঁকা জায়গায় বিরাট আকার নিয়ে ধসের সৃষ্টি হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। এই ধসের কারণ হিসাবে বিশ্বেশ্বরী কোরিয়ারির তৎকালীন ম্যানেজার বিশ্বজিত রায়ের বিরুদ্ধে উঠছে অভিযোগের আঙ্গুল।
স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা আকাশ রুইদাস অভিযোগ করেন, খান্দরা এবং এর আশেপাশে একের পর এক ধসের নিচে রয়েছে খনির নিচে সঠিকভাবে বালি দিয়ে প্যাকিং না করার বিষয়টি। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ম্যানেজার বিশ্বজিৎ রায়ের আমলে খনি এলাকায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে। তিনি পাণ্ডবেশ্বর এর প্রাক্তন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ট হিসাবে এলাকায় লুটপাট চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। খনির নিচে সঠিকভাবে প্যাকিং হয়নি বালির আর সে কারণেই নানানভাবে ধসের সৃষ্টি হচ্ছে এলাকায়। পাশাপাশি, কিছুদিন আগে নীলকন্ঠ মন্দির এলাকায় ধসের সৃষ্টি হয়েছিল যা ইসিএল আধিকারিকরা ১৯৮২ সালের পুরনো খনির কারণে ধস হয়েছে বলে জানান দেন। কিন্তু, সবটাই ছিল ধোঁকা বর্তমানে খনির নিচে কয়লা উত্তোলনের পর সঠিকভাবে বালি প্যাকিং হচ্ছে না সেখানেও ঠিকাদার এবং খনি কর্তৃপক্ষদের যোগসাজস রয়েছে বলে অভিযোগ। আর এই কারণেই সাধারণ মানুষ ধসের কবলে পড়ছেন।
সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বারবার এই এলাকায় ধসের কারণে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয়রা। এখন প্রশ্ন একটাই কবে এলাকার মানুষ সুরক্ষিত ভাবে বসবাস করতে পারবে সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থায়ী নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে, এখন এই একটাই দাবি খান্দরার সাধারণ মানুষের।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাতে নীলকন্ঠ মন্দির থেকে কিছুটা দূরে থাকা জায়গায় ফের বড় আকারের ধসের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার সকালে এই বিষয়টি নজরে আসে স্থানীয়দের। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন ইসিএল-এর কয়েকজন আধিকারিক। তবে, গোটা পরিস্থিতি নিয়ে ক্যামেরার সামনে কোনও রকম মন্তব্য করতে চাননি তাঁরা। এর আগে কিছুদিন আগেই এই এলাকায় জনবসতির খুব কাছেই ধসের সৃষ্টি হয়। আচমকাই মাটি বসে যাওয়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন স্থানীয়রা। নিরাপত্তার কথা ভেবে সেই মুহূর্তে ঘর ছাড়েন কিছু সংখ্যক এলাকাবাসীরা। ঘটনায় রানীগঞ্জ বিধানসভার বিধায়ক পৌঁছে স্থানীয়দের পাশে থাকার বার্তা দেন।
সেই ঘটনার পর থেকে আধিকারিকরা ধস কবলিত এলাকা বিপদজনক বলে চিহ্নিত করে। সেখানে ফ্রেন্সিং করা হয়েছিল বলে স্থানীয়দের দাবি। কিন্তু তাঁদের অভিযোগ, ফ্রেন্সিং এর ব্যবস্থা করে সাধারণ মানুষদের সুরক্ষার ব্যবস্থা আজও হয়নি। এর মধ্যেই ফের নতুন করে ধসের কারণে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। শুক্রবার রাত্রে নীলকন্ঠ মন্দিরের একটু দূরে আবারো একটা ফাঁকা জায়গায় বিরাট আকার নিয়ে ধসের সৃষ্টি হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে এলাকায়। এই ধসের কারণ হিসাবে বিশ্বেশ্বরী কোরিয়ারির তৎকালীন ম্যানেজার বিশ্বজিত রায়ের বিরুদ্ধে উঠছে অভিযোগের আঙ্গুল।
স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা আকাশ রুইদাস অভিযোগ করেন, খান্দরা এবং এর আশেপাশে একের পর এক ধসের নিচে রয়েছে খনির নিচে সঠিকভাবে বালি দিয়ে প্যাকিং না করার বিষয়টি। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন ম্যানেজার বিশ্বজিৎ রায়ের আমলে খনি এলাকায় একাধিক অনিয়ম হয়েছে। তিনি পাণ্ডবেশ্বর এর প্রাক্তন বিধায়ক নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর ঘনিষ্ট হিসাবে এলাকায় লুটপাট চালিয়েছেন বলে অভিযোগ। খনির নিচে সঠিকভাবে প্যাকিং হয়নি বালির আর সে কারণেই নানানভাবে ধসের সৃষ্টি হচ্ছে এলাকায়। পাশাপাশি, কিছুদিন আগে নীলকন্ঠ মন্দির এলাকায় ধসের সৃষ্টি হয়েছিল যা ইসিএল আধিকারিকরা 1982 সালের পুরনো খনির কারণে ধস হয়েছে বলে জানান দেন। কিন্তু, সবটাই ছিল ধোঁকা বর্তমানে খনির নিচে কয়লা উত্তোলনের পর সঠিকভাবে বালি প্যাকিং হচ্ছে না সেখানেও ঠিকাদার এবং খনি কর্তৃপক্ষদের যোগসাজস রয়েছে বলে অভিযোগ। আর এই কারণেই সাধারণ মানুষ ধসের কবলে পড়ছেন।
সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বারবার এই এলাকায় ধসের কারণে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয়রা। এখন প্রশ্ন একটাই কবে এলাকার মানুষ সুরক্ষিতভাবে বসবাস করতে পারবে সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থায়ী নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে, এখন এই একটাই দাবি খান্দরার সাধারণ মানুষের।
