গুয়াহাটি, নিউজ ডেস্ক: গুয়াহাটিতে ককরোচ জনতা পার্টির মেট আপে যোগ দিতে গিয়ে বিপত্তি। একাধিক সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ এমনটাই জানা গিয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম শীর্ষস্থানীয় নেতা ও জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা আটক হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাহিল শেখ, মিন্টু দাস, ঋত্বিশ বরুয়া সহ আরও অনেকে। ঠিক কী কারণে তাঁদের আটক করা হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
একটি মিট আপে যোগ দিতে গিয়ে বিপাকে পড়তে হলো সিজেপিকে। পুলিশি ক্ষোভের মুখে পড়লেন সিজেপি নেতা ও কর্মীরা। একটি বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে আটক হলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা-সহ দলের কয়েকজন সদস্য। এই ঘটনাকে ঘিরে রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
দিসপুর থানার পুলিশের অভিযানে CJP-র একাধিক সদস্যকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সাহিল শেখ, মিন্টু দাস, ঋত্বিশ বরুয়া এবং সংগঠনের প্রধান আশুতোষ রঙ্কা। একটি Meet Up-এ যোগ দিতে প্রতিনিধি দলটি গুয়াহাটিতে এসেছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। মোতায়েন ছিল বিরাট পুলিশ বাহিনী।
রবিবার গুয়াহাটিতে CJP-র প্রতিনিধি দল উপস্থিত হওয়ার পরই তাঁদের ঘিরে তৈরি হয় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি। এরপর দিসপুর থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে দলের সদস্যদের আটক করে বলে দাবি করা হয়েছে। ঠিক কী কারণে তাঁদের আটক করা হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশের তরফে এই আটকের পিছনে নির্দিষ্ট কোনও কারণ প্রকাশ্যে আসেনি।
জানা গিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী গুয়াহাটিতে একটি Meet Up-এর আয়োজন করা হয়েছিল। সেই কর্মসূচিতেই যোগ দিতে CJP-র প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সেখানে পৌঁছেছিলেন। কিন্তু কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই তাঁদের আটক করা হয় বলে অভিযোগ। আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সংগঠনের প্রধান আশুতোষ রঙ্কা, সাহিল শেখ, মিন্টু দাস এবং ঋত্বিশ বরুয়াকেও পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
আটক করার পূর্বে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাকে নিশানা করে রাঙ্কা। রীতিমতো তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর দাবি, অসমের স্কুলগুলির বাস্তব পরিস্থিতি সামনে এলে তা গোটা দেশের মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে এই কারণেই মুখ্যমন্ত্রী ভয় পাচ্ছেন। একইসঙ্গে কাজিরাঙায় সাধারণ মানুষের অধিকার, জমি, বন ও জল নিয়ে সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আশুতোষ রাঙ্কা।
তবে পুলিশের তরফে তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও নির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে কি না তার সঠিকভাবে জানা যায়নি। কি কারনে তাদেরকে আটক করা হয়েছে তাও এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গুয়াহাটিতে CJP-র কর্মসূচি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে প্রশাসনের তরফে কী জানানো হয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের। ঘটনা কি ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে গুয়াহাটির পরিস্থিতি।
