নিউজ ডেস্ক: মডেল-অভিনেত্রী অনুষ্কা ঘোষ রবিবার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সঞ্চালিত রিয়্যালিটি শো ‘বিগ বস বাংলা’-য় ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী হিসেবে প্রবেশ করেছেন। রাজবীর দে এবং জিৎু কমলের পর তিনিই এই শোয়ের তৃতীয় ওয়াইল্ড কার্ড প্রতিযোগী।
বিগ বসের ঘরে ঢোকার পরই অনুষ্কা দীপেন্দু বিশ্বাস ও রাজবীরকে জড়িয়ে ধরেন। এরপর তিনি বাড়ির অন্যান্য প্রতিযোগীদের খেলা নিয়েও নিজের মতামত জানান।
জিৎুর পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন অনুষ্কা। দুর্নিবার সাহাকে তিনি ‘মিষ্টি মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন এবং দীপেন্দুর খেলারও প্রশংসা করেন। তবে ঘরের বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে দীপেন্দুকে আরও খোলাখুলি নিজের মতামত প্রকাশ করার পরামর্শ দেন তিনি। অন্যদিকে, তনুশ্রী দাস রায়কেও অনুষ্কা জানান যে, তাঁর খেলা ইতিমধ্যেই বেশ ভালো প্রভাব ফেলছে।
তবে রাজবীরকে দেওয়া অনুষ্কার পরামর্শই ঘরের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি করে। অনুষ্কা রাজবীরকে বলেন, “রাজবীর, তুমি ভালো খেলছ। অন্য কারও প্রভাবে পড়ে নিজের খেলাটা নষ্ট কোরো না।”অনুষ্কার কথায় রাজবীরও সম্মতি জানান এবং মাথা নাড়তে দেখা যায় তাঁকে।
অনুষ্কা কি পরোক্ষভাবে বিগ বসের ঘরে রাজবীরের সঙ্গে নন্দিনী দত্তের তৈরি হওয়া ঘনিষ্ঠ সমীকরণের কথাই বোঝাতে চেয়েছেন? এমনটাই মনে করছেন অনুরাগীদের একাংশ।
বিগ বসের ঘরে প্রবেশের আগে মঞ্চে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন অনুষ্কা। সেখানে তিনি জানান, তাঁর কাছে এই খেলায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মানবিকতা। রাজবীরকে একজন শক্তিশালী প্রতিযোগী বলেও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি, শোয়ে তাঁর থাকাকালীন রাজবীরের সঙ্গে তাঁর একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও ইঙ্গিত দেন অনুষ্কা।
এদিকে, অভিনেত্রী সোহিনী পালের ‘বিগ বস বাংলা’-র সফর রবিবার শেষ হয়েছে। চার সপ্তাহ বিগ বসের ঘরে থাকার পর বিদায় নিতে হয়েছে তাঁকে।
সোহিনীকে মঞ্চে ডাকার সময় সৌরভ জানান, তিনি সোহিনীকে দীর্ঘদিন ধরে চেনেন। সোহিনী খুব ছোট বয়স থেকেই তাঁর সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে বলেও জানান সৌরভ। তিনি আরও বলেন, সোহিনীর প্রতি তাঁর বিশেষ স্নেহ রয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত এই খেলায় দর্শকদের ভোটই ফলাফল নির্ধারণ করে।
সোহিনীর এলিমিনেশনের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়েন তনুশ্রী। বিগ বসের ঘরে থাকার সময় দু’জনের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছিল। অন্যদিকে, সোহিনী ঘর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর জিলম গুপ্তকে ঘরের এক কোণে একা বসে থাকতে দেখা যায়।
