পশ্চিম বর্ধমান, নিউজ ডেস্ক: কাজে গাফিলতি এবং ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে সিবিআই-এর নজরে পাণ্ডবেশ্বরের সাউথ শ্যামলা কোলিয়ারির এক ইসিএল কর্মী। বৃহস্পতিবার আচমকাই ওই কর্মীর বাড়ি এবং কোলিয়ারির অফিসে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই।
দীর্ঘক্ষণ ধরে দু’টি জায়গাতেই চলে তল্লাশি। নথিপত্র খতিয়ে দেখার পাশাপাশি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র তদন্তকারীরা বাজেয়াপ্ত করেছেন বলে সূত্রের খবর।
জানা গিয়েছে, সাউথ শ্যামলা কোলিয়ারির এক কর্মী শারীরিক অসুস্থতার কারণে তুলনামূলকভাবে কম পরিশ্রমের কাজ বা ‘লাইট ডিউটি’-র জন্য আবেদন করেছিলেন। অভিযোগ, সেই কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই কর্মীর কাছে ঘুষ দাবি করেছিলেন ওই অভিযুক্ত ইসিএল কর্মী সংকর্ণন হরিজন। অভিযোগ সামনে আসার পরই নড়েচড়ে বসে তদন্তকারী আধিকারিরা।
এরপর অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সম্ভাব্য তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের জন্য এদিন অভিযান চালানো হয়। সকাল থেকেই সিবিআই-এর তদন্তকারী দল সাউথ শ্যামলা কোলিয়ারির ওই কর্মীর বাড়ি এবং অফিসে তল্লাশি শুরু করে। কয়েক ঘণ্টা ধরে চলে নথি ও বিভিন্ন কাগজপত্র পরীক্ষা। তদন্তকারীরা বেশ কিছু নথি সঙ্গে নিয়ে যান বলে জানা গিয়েছে। তবে তল্লাশি চলাকালীন সংকর্ণন হরিজনকে তাঁর বাড়িতে পাওয়া যায়নি।
এরপর তাঁর ছেলে পঙ্কজ হরিজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই-এর তদন্তকারী দল সঙ্গে করে নিয়ে যায় বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। স্থানীয় সূত্রে খবর, সিবিআই-এর একটি দল এসে দীর্ঘ সময় ধরে বাড়ি এবং অফিসে তল্লাশি চালায়। বিভিন্ন কাগজপত্র খতিয়ে দেখা হয়। সংকর্ণন বাড়িতে না থাকায় তাঁর ছেলেকে তদন্তকারীরা সঙ্গে করে নিয়ে যান। ঘুষের অভিযোগে ঠিক কী ধরনের তথ্য বা নথি সিবিআই-এর হাতে এসেছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।