হুগলি, নিউজ ডেস্ক: চন্দননগর তথা হুগলির ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। ফ্রান্সের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছে রাজ্যের পর্যটন দফতর। শুক্রবার চন্দননগরে শুরু হয়েছে তিনদিনের বর্ণাঢ্য উৎসব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ এবং ভারতে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত থিয়েরি ম্যাথু।
পর্যটন দফতর সূত্রে খবর, ফরাসি সরকারের ব্যবস্থাপনায় চন্দননগরের ঐতিহাসিক ‘দ্য রেজিস্ট্রি বিল্ডিং’-এর সংস্কার ও পুনর্নবীকরণের কাজ করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দফতর। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শহরের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও ঔপনিবেশিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজ্য সরকারের লক্ষ্য, চন্দননগর ও হুগলির ঐতিহাসিক স্থাপত্য, সংস্কৃতি এবং ফরাসি ঐতিহ্যকে সামনে রেখে হেরিটেজ ট্যুরিজমের পরিসর আরও বিস্তৃত করা। আগামী দিনে একইভাবে একাধিক ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ ও সংস্কারের মাধ্যমে পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়ন ঘটানো হবে বলেও পর্যটন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে।
রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের মতে, আগামী দিনে রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রের অন্য দিক খুলে যাবে। চন্দননগরকে কেন্দ্র করে পর্যটন, হুগলি নদীর তীরে পর্যটন-সহ আগামী দিনে অন্যান্য পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন পর্যটন মন্ত্রী।
জগদ্ধাত্রী পুজোর আগেই এই উৎসবকে কেন্দ্র করে আলোকমালায় সেজে উঠেছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড রোড। শুক্রবার গঙ্গাবক্ষে জলপথে চন্দননগরে আসেন ভারতে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত থিয়েরি ম্যাথু। সেখান থেকে রেজিস্ট্রি ভবনের সংস্কার কাজের সূচনা করেন তিনি। পরে তিনি চন্দননগরের সেন্ট জোসেফ স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এছাড়াও ফরাসি কবরস্থান, মিউজিয়াম-সহ একাধিক জায়গা তিনি ঘুরে দেখেন।
এই উৎসবকে কেন্দ্র করে দুই দেশের পুরনো সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্ককেও নতুন করে সামনে আনা হয়েছে। চন্দননগর তথা হুগলির ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে পর্যটন পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ পশ্চিমবঙ্গ সরকারের। ফ্রান্সের সঙ্গে মউ স্বাক্ষর করেছে রাজ্যের পর্যটন দফতর। শুক্রবার চন্দননগরে শুরু হয়েছে তিনদিনের বর্ণাঢ্য উৎসব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ এবং ভারতে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত থিয়েরি ম্যাথু।
পর্যটন দফতর সূত্রে খবর, ফরাসি সরকারের ব্যবস্থাপনায় চন্দননগরের ঐতিহাসিক ‘দ্য রেজিস্ট্রি বিল্ডিং’-এর সংস্কার ও পুনর্নবীকরণের কাজ করবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পর্যটন দফতর। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শহরের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও ঔপনিবেশিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের পাশাপাশি পর্যটকদের আকর্ষণ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
রাজ্য সরকারের লক্ষ্য, চন্দননগর ও হুগলির ঐতিহাসিক স্থাপত্য, সংস্কৃতি এবং ফরাসি ঐতিহ্যকে সামনে রেখে হেরিটেজ ট্যুরিজমের পরিসর আরও বিস্তৃত করা। আগামী দিনে একইভাবে একাধিক ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণ ও সংস্কারের মাধ্যমে পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়ন ঘটানো হবে বলেও পর্যটন দফতরের তরফে জানানো হয়েছে। রাজ্যেলর পর্যটন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের মতে, 'আগামী দিনে রাজ্যের পর্যটন মানচিত্রের অন্য দিক খুলে যাবে। চন্দননগরকে কেন্দ্র করে পর্যটন, হুগলি নদীর তীরে পর্যটন-সহ আগামী দিনে অন্যান্য পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন পর্যটন মন্ত্রী।'
পাশাপাশি, মউ স্বাক্ষরের পর ফরাসি রাষ্ট্রদূত থিয়েরি ম্যাথু বলেন, 'প্রায় ১৫ বছর ধরে এই সংস্কারের কাজ আটকে ছিল। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার কয়েক মাসের মধ্যেই সেই কাজ বাস্তবায়িত হওয়ায় রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ'। তিনি আরও বলেন, ফ্রান্স ও বাংলার সম্পর্ক এক-দু’দিনের নয়, এর পিছনে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। ভবনটির সংস্কারের ফলে ফরাসি পর্যটক, গবেষক ও ইতিহাসবিদদের চন্দননগরে আসার আগ্রহ আরও বাড়বে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। আগামী বছর থেকে প্রতি বছর চন্দননগরে ‘ফরাসি উৎসব’ আয়োজনের প্রস্তাবও দিয়েছেন ফরাসি রাষ্ট্রদূত।
জগদ্ধাত্রী পুজোর আগেই এই উৎসবকে কেন্দ্র করে আলোকমালায় সেজে উঠেছে চন্দননগর স্ট্র্যান্ড রোড। শুক্রবার গঙ্গাবক্ষে জলপথে চন্দননগরে আসেন ভারতে নিযুক্ত ফরাসি রাষ্ট্রদূত থিয়েরি ম্যাথু। সেখান থেকে রেজিস্ট্রি ভবনের সংস্কার কাজের সূচনা করেন তিনি। পরে তিনি চন্দননগরের সেন্ট জোসেফ স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেন। এছাড়াও ফরাসি কবরস্থান, মিউজিয়াম-সহ একাধিক জায়গা তিনি ঘুরে দেখেন। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে দুই দেশের পুরনো সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্ককেও নতুন করে সামনে আনা হয়েছে। ঐতিহ্যের শহরকে সাজিয়ে তোলার প্রচেষ্টা আগামী দিনেও যাতে অব্যাহত থাকে, সেটাই চাইছেন স্থানীয় মানুষ ৷