তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু তারও আগে তিনি একজন বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি। তিনি শুভেন্দু অধিকারী। আজ তিনি একজন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে ওয়াটগঞ্জ থানা পরিদর্শনের জন্য যান। এক কথায় যাকে বলে 'সারপ্রাইজ ভিজ়িট'।
এদিন বেলার দিকে আগে থেকে কোন খবর না দিয়েই ওয়াটগঞ্জ থানাতে এসে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে এসে প্রথমে তিনি 'মহিলা সুরক্ষা ডেস্ক'-এ বসেন। খতিয়ে দেখতে থাকেন মহিলা সুরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ক তথ্য। একই সঙ্গে থানার বিভিন্ন রেজিস্ট্রার বুক,এবং বেশকিছু নথিপত্র।
নথিপত্র, রেজিস্ট্রার খতিয়ে দেখার পর মুখ্যমন্ত্রী থানা পরিদর্শনের তোড়জোর করেন। পুলিশকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে থানা ঘুরে ঘুরে খুঁটিয়ে দেখেন বিভিন্ন ডেস্ক। ডেস্ক পরিদর্শনের পর এসে তিনি পৌঁছন কম্পিউটার রুমের সামনে। একঝলকে কম্পিউটার রুম দেখে নেন শুভেন্দু অধিকারী। কম্পিউটার রুমের সামনের দেওয়ালে ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের ছবি দেখে সামান্য সময় মাথা ঝুঁকিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি।
এরপর তিনি পৌঁছন হাজত পরিদর্শন করতে। হাজত পরিদর্শনের পর থানার অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও ভালো করে পরীক্ষা করেন শুভেন্দু অধিকারী। অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার পরিদর্শনের পর শুভেন্দু অধিকারী পর্যবেক্ষণ করেন থানার গোডাউন অর্থাৎ মালখানা। প্রসঙ্গত আজ ওয়াটগঞ্জ থানা পরিদর্শনের পর একবালপুর থানাও পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী।
ওয়াটগঞ্জ থানা মূলত নারী সুরক্ষাকে প্রাধান্য দেয়।বন্দর এলাকাতে নারী সুরক্ষার ক্ষেত্রে এই থানার খ্যাতি আছে। আজ পরিদর্শন শেষে এই কাজের জন্যই পুলিশ আধিকারিক এবং বিশেষত মহিলা পুলিশকর্মীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাদের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন তিনি।