পাবলিক অর্থাৎ আমজনতা।আর এই পাবলিকের কথা মাথায় রেখেই ককরোচ জনতার পার্টির প্রতিষ্ঠাতা আনতে চলেছেন তাদের অ্যাজেন্ডা 'কেয়া বোলতি পাবলিক'। আজ একথা জানিয়েছেন স্বয়ং অভিজিৎ দীপকে। দিল্লির ছাত্র আন্দোলনে দাঁত চাপা লড়াই করে নিজেদের দাবি পূরণ করে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তিনি ও তার দল ককরোচ জনতা পার্টি।
এবার তাদের লক্ষ্য জনতার মাঝে এসে তাদের সমস্যার কথা শোনা ও তার সমাধানের চেষ্টা করা। দীপকে মূলত চেয়েছেন এই কর্মসূচির মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে সংস্কার। তিনি পর্যবেক্ষণ করেছেন শিক্ষাক্ষেত্রে মাত্রাছাড়া কোচিং ফি, এবং শিক্ষার মান ক্রমশই কমছে। এই জায়গাতেই তার আপত্তি।
তিনি বলেছেন 'শিক্ষা সংস্কারই হবে আমাদের অগ্রাধিকারের বিষয়। আমরা মনে করি, দেশে শিক্ষা এখন আর সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে নেই। (বেসরকারি স্কুলগুলিতে) প্রথম শ্রেণিতেই বার্ষিক ফি ১ থেকে ২ লাখ টাকা। এর বাইরে রয়েছে অনুদান বা ডোনেশনের খরচ।'
দীপকে তার বক্তব্যের মাধ্যমে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষাক্ষেত্রে এই শোষণ থেকে মুক্তির রাস্তা দেখান। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন 'যাদের আয় বেশি নয়, সেই পরিবারগুলি কোথা থেকে এত টাকা জোগাড় করবে?' তিনি এই প্রসঙ্গে অভিযোগ করেছেন 'কলেজ ও কোচিংয়ের ক্রমবর্ধমান ফি পরিবারগুলিকে ঋণের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।' ভারতীয় সংবিধান শিক্ষাকে মৌলিক অধিকার বলে স্বীকার করে।
এই নিয়েও তিনি মন্তব্য করেন 'বিআর আম্বেদকরের মতে এটি (শিক্ষা) একটি মৌলিক অধিকার। কিন্তু গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, শিক্ষা এখন মুনাফা অর্জনের একটি ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়েছে।' এখন ভবিষ্যত বলবে যুব সমাজের, নতুন দলের হাত ধরে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি হবে কিনা?