বাংলাদেশ: বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের আমল থেকে বর্তমান সরকার বি এন পি আমলেও বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান) এই বিষয়ে খতিয়ে যা জানতে পারলাম বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের প্রভাবশালী জনাব সালমান এফ রহমানের সহচর বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত এবং কমিশনার তারিকুজ্জামানের ঘনিষ্ট সহচর মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ,এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান।
জনাব আনোয়ারুল ইসলাম বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের আমল সহ ইন্টারিয়াম সরকারের আমলে বিশেষ সুবিধাভোগি ,বর্তমানেও বি এন পি সরকারের আমলেও সেই সুবিধা ভোগ করছে ,বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক কমিশনার তারিকুজ্জামানের এর সাথে টুংগিপাড়ায় শেখ মুজিবের কবরে এবং ধানমন্ডি ৩২ নং শ্রদ্ধা নিবেদন করার জন্য গিয়েছিলো , বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের সাবেক কমিশনার তারিকুজ্জামান সাথে সরকারি কমকর্তা হিসেবে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাওয়াটা আইন বহির্ভূত এবং এতেই প্রমানিত হয় যে সে একজন ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলের সুবিধাভোগী । তার এই শ্রদ্ধা নিবেদনের বিষয়টি বিভিন্ন পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়েছে সংযুক্তি হিসেবে পত্রিকার কপি রেফারেন্স দেয়া হলো।
বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ,এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান। উনি বর্তমানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ধারাবাহিক দর পতনের জন্য অন্যতম কারিগর , উনার প্রভু সালমান এফ রহমান এবং সাবেক বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের কমিশনার তারিকুজ্জামানের হুকুমেই বাজার দর পতনের ঘটনা ঘটাচ্ছেন তার সরকারি ক্ষমতার বলে, কোন অভিযোগ ছাড়াই ব্রোকার হাউজ গুলোকে বেআইনি চিঠি পাঠাচ্ছে, সরাসরি ফোনে থ্রেড করছে , কেনো হাউজ গুলোতে এতো বেশি শেয়ার কেনা হচ্ছে, মারকেট উপরের দিকে উঠতে গেলেই উনি নাক গলাচ্ছেন এবং জরিমানার ভয় দেখাচ্ছে, একের পর এক উদ্ভট আইন বানিয়ে বিনয়োগকারিদের বিভ্রান্ত করে তুলেছে।
যে সকল ব্রোকার হাউজের প্রতিনিধিরা তার সাথে দেখা করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছে তাদের কাছে নগদ অর্থ দাবী করছে ,সে বলে বেড়াচ্ছে অর্থ মন্ত্রী ,অর্থ পুজিবাজার উপদেষ্টা ,চেয়ারম্যান ,কমিশনার এবং সরকারের আরও অনেকই টাকা দিতে হবে ,এ যেন দিনে দুপুরে ডাকাতি করছে এই বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান)
বেশ কয়েকটি ব্রোকার হাউজে সালমান এফ রহমানের বিনিয়োগ/ঋণ হিসাব রয়েছে। উক্ত হিসাবে মার্জিন ঋণ সমন্বয় করার জন্য তাকে তাগাদা প্রদান করা হলে, তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে তার প্রভাব খাটিয়ে অত্র প্রতিষ্ঠানে তৎকালীন (২০২৩ইং-২০২৬ইং) স্টক এক্সচেঞ্জ ও মাননীয় কমিশন কর্তৃক কোম্পানিকে দীর্ঘদিন যাবত অনেক হয়রানি্মূলক তদন্ত করিয়েছেন, যার ফলে অনেক ব্রোকার কোম্পানি ব্যবসায়িকভাবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
উক্ত তদন্তের প্রেক্ষিতে কমিশন কর্তৃক অনেক কোম্পানীর বিরুদ্ধে অযাচিত হয়রানিমূলক / শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান ), তার প্রভাব খাটিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করচ্ছে যাতে করে ব্রোকার হাউজ গুলো ব্যবসা না করতে পারে, যদি এর ভিতর কেউ যদি উনাকে অর্থ সুবিধা দেয় তাদেরকে উনি বিশেষ বিবেচনায় ছেড়ে দিচ্ছে।
ইতমধ্যে সব রেগুলেটরি প্রতিষ্ঠান থেকে সব ধরনের ক্লিয়ারেন্স নিয়ে যথাযথ ফি/কমপ্লায়েন্স প্রদান সাপেক্ষে ডিএসই ও সিএসই এর স্টক-ব্রোকার, স্টক-ডিলার এবং সিডিবিএল এর ডিপি রেনুয়ালের জন্য যাবতীয় কাগজপত্র বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জে এবং সিডিবিএল এ জমা দেয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী কোম্পানি গুলোর রেনুয়াল যাতে যথসময়ে সম্পন্ন হয় তার ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করা হলে বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম ,(এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান) তার প্রভাব খাটিয়ে ভুক্তভোগী কোম্পানি গুলো ট্রেড সাসপেন্ড করে বন্ধ করে রেখেছে ,
উল্লেখ্য যে সমল কোম্পানীর CCA (Consolidate Customer Account) surplus এবং Stock Reconciliation clear রয়েছে। কোম্পানীর সাথে জড়িত ১ লক্ষ বিনিয়োগকারীর স্বার্থ সুরক্ষায় সংশ্লিষ্ট বিষয়টি বিবেচনা না করে তার প্রভুদের হুকুম তালিম করছে বহাল তবিয়তে ।
উল্লেখ্য বিষয় হলো জনাব মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর একান্ত ব্যাক্তিগত কারন এবং বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের জনাব সালমান এফ রহমান এবং সাবেক বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ এর চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত এবং কমিশনার তারিকুজ্জামানের স্বাথ উদ্ধার করার জন্য প্রায় ১ লক্ষ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিগ্রস্থ করার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ,যাতে করে মারকেট আরও ক্ষতি হয় এবং বর্তমান সরকার বিপদ গ্রস্ত হয় ,বাংলাদেশ সিকুউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কে হাতিয়ার বানিয়ে লক্ষ লক্ষ বিনিয়োগকারীদের পথের ফকির বানাবার চেষ্টা করছে যা সম্পুর্ন উদ্দেশ্য প্রনিত বলে প্রতিয়মান।
বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ কমিশনের এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের মাফিয়া মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম (এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর ,মারকেট গোয়েন্দা ও তদন্ত এবং মারকেট ইন্টারমিডিয়ারি বিভাগের প্রধান) এই প্রভুভক্ত ফ্যাসিস্ট কে যদি বাংলাদেশ সিকুউরিটি এক্সচেঞ্জ থেকে না সরানো হয় তবে বাংলাদেশের শেয়ার বাজার ঘুরে দাড়ানো দুরের কথা উল্টো বিনিয়োগকারীদের ফকির বানিয়ে পথে বসিয়ে দিবে।