নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপুজোয় সিপিএমের বুক স্টলে হামলার অভিযোগ! এবার ঘটনার প্রতিবাদে শহর কলকাতায় শুরু হয় বই প্রেমীদের মিছিল। শনিবার বিকেলে কলেজ স্কোয়ারে জমায়েত হয়ে এই প্রতিবাদী পদযাত্রাটি শুরু হয়। উপস্থিত ছিলেন সুজন চক্রবর্তী ও বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। বই হাতে সকলকে পা মেলাতে দেখা যায়। এছাড়াও, শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার, প্রাক্তন আমলা ও সাংসদ জহর সরকার, বর্ষীয়ান অভিনেতা পরান বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সব্যসাচী চক্রবর্তীর মতো বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা এই প্রতিবাদের সামিল হয়েছিলেন।
এই প্রতিবাদ মিছিলে অংশ নিয়ে সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, 'অন্তত ২৯২ টা বুক স্টলে হামলা হয়েছে। যেকোনও মেলা উৎসবে বই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। এগুলোর প্রতি মানুষে আগ্রহ ও ভিড়ও থাকে বেশি। এই বই মানে চেতনা, প্রতিবাদের সুর, প্রতিবাগের জাগরণ। সেই কারণে আজকে মিছিল হয়েছে। সংস্কৃতি ও বইপ্রেমী মানুষেরা একত্রিত হয়ে অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও অভিনব এক উদ্যোগ নিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, সমগ্র দেশ এর আগে এমন সুন্দর ও ব্যতিক্রমী প্রতিবাদী মিছিল দেখেনি। এখানে কোনও ধরা বাঁধা স্লোগান বা চিৎকার নেই; গান, কবিতা ও শিল্পের মাধ্যমেই এই অন্যায়ের জবাব দেওয়া হচ্ছে।'
সম্প্রতি, দুর্গাপুজোর মণ্ডপের আশেপাশে বামেদের বুক স্টল ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ইতিমধ্যে যাদবপুরে বইয়ের স্টল সরানো নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টেও গিয়েছিল সিপিএম। এই বিষয়ে মুখ খোলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিন বলেন, 'আমরা সব বই-প্রেমী, বই বিরোধী নই। কিন্তু আপনি পুষ্পাঞ্জলী দেবেন না, নবমীর আরতি করবেন না, সিদুঁর খেলবেন না, হাতে ডোর লাগাতে গেলে বলবেন, না না লাগাব না। টিকা লাগাতে গেলে বলবেন, না কপালে লাগাবেন না। গলায় তুলসী রাখবেন না। সনাতনী হিন্দুত্বের যে পরম্পরা রয়েছে, তার বিরোধিতা করবেন। তারপরে আপনি গিয়ে দুর্গাপুজোর মণ্ডপের সামনে গিয়ে বইয়ের দোকান বানাবেন!'




