নিউজ ডেস্ক: কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা ছিলই, তবে শেষ মুহূর্তে সামনে এল এমন এক নথি, যা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজধানীর বুকে একটি প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে পুলিশের সতর্কবার্তা এবং সেই নোটিশে এক পরিচিত মুখের স্বাক্ষর এই দুই বিষয়ই এখন নজর কাড়ছে। তবে, এই নোটিসের পরে কর্মসূচি ঘিরে কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।
'তিরঙ্গা যাত্রা' ঘিরে দিল্লিতে নতুন করে চর্চায় সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। ১৬ অক্টোবর কনট প্লেসে প্রস্তাবিত 'লেহরা দো তিরঙ্গা' বিক্ষোভের আগে তাঁর কাছে নোটিশ পাঠায় দিল্লি পুলিশ। নোটিশে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, কনট প্লেস এলাকায় ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি রয়েছে। ফলে, সেখানে জমায়েত ও মিছিলের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক বিধিনিষেধ মেনে চলার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি, প্রস্তাবিত মিছিলের জন্য এমডিএনসির অনুমতি মেলেনি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া কর্মসূচি নিয়ে এগোলে আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়তে হতে পারে বলে সতর্ক করেছে পুলিশ। এই নোটিসের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্যোক্তাদের প্রশাসনিক নির্দেশ মেনে চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে।
জানা গিয়েছে, অভিজিৎ দীপকে বর্তমানে এনসিপি-এসসিপি মুখপাত্র অনীশ গাওয়ান্ডের বাসভবনে রয়েছেন। সেখানে পুলিশ আধিকারিকেরা গিয়ে তাঁকে নোটিশ দেন বলে সমাজ মাধমে প্রকাশিত একটি পোস্টে দাবি করা হয়। নোটিশে অভিজিৎ দীপকের স্বাক্ষরের ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। কেউ নোটিসে স্বাক্ষরের বিষয়টি তুলে ধরেছেন, আবার কেউ প্রস্তাবিত কর্মসূচির সাফল্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
সব মিলিয়ে 'লেহরা দো তিরঙ্গা' বিক্ষোভের আগে পুলিশের এই সতর্কবার্তা কর্মসূচিকে ঘিরে নতুন পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অভিজিৎ দীপকের পরবর্তী পদক্ষেপ কি হয়, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতুহল তৈরি হয়েছে। প্রশাসনের নিচে থাকা ও পুলিশের সতর্কতার মধ্যেও প্রস্তাবিত বিক্ষোভ ঘিরে আলোচনা থামছে না। তবে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভের ভবিষ্যৎ কি হবে, আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কিংবা উদ্যোক্তারা অন্য কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। এখন নজর থাকবে পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং কর্মসূচির আয়োজকদের সিদ্ধান্তের দিকে।




