প্রথমবার বাংলায় 'হর ঘর তিরঙ্গা' কর্মসূচি। সোমবার কলকাতার গৌর পাল সরণি থেকে এই মিছিল শুরু হয়। মিছিলটি যাবে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল নর্থ গেট পর্যন্ত। কলকাতার রাজপথে জাতীয় পতাকা হাতে হর ঘর তেরঙ্গা যাত্রায় হাঁটলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিং, জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, রুদ্রনীল ঘোষ, কৌস্তভ বাগচী-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রত্যেকের হাতেই রয়েছে জাতীয় পতাকা। নেতা-মন্ত্রীদের পাশাপাশি হাজার হাজার সাধারণ মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।
স্বাধীনতা দিবসের আগে শুক্রবার থেকে 'হর ঘর তেরঙ্গা' কর্মসূচির সূচনা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এই প্রথম প্রধানমন্ত্রীর 'হর ঘর তেরঙ্গা' কর্মসূচিতে সামিল হল বাংলায়। স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করা এবং সাধারণ মানুষকে নিজেদের বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনে উৎসাহিত করাই এই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য। কলকাতার পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতেও ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ কর্মসূচিকে ঘিরে একাধিক মিছিল ও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এই মিছিলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, কলকাতা পুরসভাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, 'এই প্রথম সরকারিভাবে হর ঘর তিরঙ্গা যাত্রা পালন করা হল। ৭০ লক্ষ জাতীয় পতাকা বিলি করছে সরকার। সবাই নিজের বাড়িতে তেরঙ্গা পতাকা উত্তোলন করুন।' তিনি আরও বলেন, 'এবার রাখী বন্ধন উৎসবকে সরকারিভাবে পালন করার ঘোষণা এখান থেকে করলাম। যাতে এবারের রাখী বন্ধন উৎসব শুধু ধর্মীয় মাহাত্ম্য নয়, আমাদের সকলের বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে। আমরা যাতে এই পশ্চিমবঙ্গকে নবনির্মাণ করতে পারি। ভারতসেরা করতে পারি।'