আবারো এক নক্কার জনক ঘটনার সাক্ষী রইল বাংলা। বাড়িতে একা থাকার সুযোগ নিয়ে এক উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই যুবক তৃণমূল নেতার ভাইপো বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। প্রভাব খাটিয়ে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর শ্লীলতাহানি? উঠছে একাধিক প্রশ্ন। এই ভয়াবহ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর থানার অন্তর্গত মদারহাট এলাকায়। নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত যুবকের নাম আকাশ পেলান। সে বারুইপুর থানার মদারহাট গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য মোমিন পেলানের ভাইপো। অভিযোগ, এই আকাশ দীর্ঘদিন ধরেই ওই উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীকে রাস্তাঘাটে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করত। পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন সকালে বাড়িতে অন্য কেউ ছিল না। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অভিযুক্ত যুবক জোর করে ওই ছাত্রীর বাড়িতে ঢুকে পড়ে এবং তার শ্লীলতাহানি করে বলে অভিযোগ।
নির্যাতিতা ছাত্রী ভয়ে ও আত্মরক্ষার্থে চিৎকার শুরু করলে পাশের বাড়িতে থাকা তার মা তড়িঘড়ি ছুটে আসেন। অভিযোগ, মেয়েকে ওই যুবকের হাত থেকে বাঁচাতে গেলে অভিযুক্ত তার মায়ের উপরেও চড়াও হয়। দিনের আলোতে এমন এক অভব্য ও ভয়াবহ ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। এরপর মা ও মেয়ের চিৎকারে স্থানীয় বাসিন্দারা ঘটনাস্থলে ছুটে এলে বেগতিক বুঝে সেখান থেকে পালিয়ে যায় অভিযুক্ত আকাশ।
এই ঘটনার খবর জানাজানি হতেই গোটা এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এরপরই নির্যাতিতা ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা বারুইপুর থানায় গিয়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এই ঘটনার বিষয়ে এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত বা তার পরিবারের তরফ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। অভিযুক্তের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। তবে এমন এক মারাত্মক ঘটনায় নারী সুরক্ষা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন।