অসুরক্ষিত যৌনসঙ্গম বয়ে আনে প্রাণঘাতী রোগ এইডস।এইমুহুর্তে এইডস নিয়ে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টে কারনে আলোচনার কেন্দ্রে কর্ণাটক।কর্নাটকের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে 'এইচআইভি' সংক্রমণের আশঙ্কাজনক বৃদ্ধিতে তীব্র উদ্বেগ ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে! সম্প্রতি ন্যাশনাল এইডস কন্ট্রোল অর্গানাইজেশন (NACO)-র একটি রিপোর্টে উঠে এসেছে, বর্তমানে সেখানকার বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭ হাজার পড়ুয়া এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্ত! সংক্রমিত এই ছাত্রছাত্রীদের বয়স ১৮ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে।
রিপোর্ট থেকে জানা যাচ্ছ, দেশে মোট এইচআইভি সংক্রমণের নিরিখে কর্নাটক বর্তমানে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এই দক্ষিণী রাজ্যে বর্তমানে প্রায় ২ লক্ষ ৬০ হাজার মানুষ এই ভাইরাসের বাহক। তবে উদ্বেগের বিষয় হলো, এদের মধ্যে প্রায় ৫৪ হাজার রোগী নিজেরাও জানেন না যে তাঁরা সংক্রমিত! বর্তমানে প্রায় ২ লক্ষ ৫ হাজার আক্রান্ত ব্যক্তি প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন।
পরিসংখ্যানে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সি যুবসমাজই এই মারণ ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এই বয়সসীমায় এইচআইভি পজিটিভ রোগীর সংখ্যা যেখানে ছিল ৪৪ হাজার ৫০০, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে তা একলাফে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৬ হাজার ৬০০-তে! সেই ধারাবাহিকতায় নতুন করে ৭ হাজার পড়ুয়ার সংক্রমণ রাজ্য প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিচারে উপমুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। রাজ্যের সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি কলেজে বাধ্যতামূলকভাবে এইচআইভি পরীক্ষা ও সচেতনতামূলক ক্যাম্প চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে এইচআইভি ও এইডস নিয়ে বিশেষ প্রচার চালিয়ে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোকেই এখন প্রধান লক্ষ্য হিসেবে দেখছে প্রশাসন।




