টি-টোয়েন্টির রমরমার যুগে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল আইসিসি। আগামী বছরের ক্রিকেট বিশ্বকাপে অংশ নেবে ১৪টি দেশ। গত দুটি ওডিআই বিশ্বকাপ ১০ দলের হলেও এ বার বাড়ানো হল অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা। পাশাপাশি বদলে দেওয়া হয়েছে টুর্নামেন্টের ফরম্যাটও। বৃহস্পতিবার এই নতুন ফরম্যাটটি প্রকাশ করা হয়েছে আইসিসির তরফে। এই ফরম্যাটে সেমিফাইনালের আগে বিশ্বকাপ হবে তিনটি পৃথক পর্বে। ফলে আগের তুলনায় প্রতিটি দলকেই বেশি ম্যাচ খেলতে হবে।
এ বারের বিশ্বকাপ হতে চলেছে দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে এবং নামিবিয়ার মাটিতে। প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বের নাম রাখা হয়েছে সুপার সিরিজ। যেখানে র্যাঙ্কিংয়ে নীচের তিনটি দল রাউন্ড রবিন ফরম্যাটে একে অপরের বিরুদ্ধে খেলবে। এই পর্বে শীর্ষে থাকা দলটি দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠবে। এরপর ১২টি দলকে নিয়ে হবে দ্বিতীয় পর্ব। সেখানে দুটি গ্রুপে মোট ৬টি করে দল থাকবে। প্রতিটি গ্রুপে রাউন্ড রবিন লিগের শেষে প্রথম তিনটি দল এবং দুই গ্রুপ মিলিয়ে সেরা চতুর্থ স্থানাধিকারী দল উঠবে পরবর্তী পর্বে।
তৃতীয় পর্বের নাম দেওয়া হয়েছে সুপার ৭। এখানে সাতটি দল একে অপরের বিরুদ্ধে একটি করে ম্যাচ খেলবে। মোট ২১টি ম্যাচের শেষে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ চারটি দল সেমিফাইনালে উঠবে। তার পর হবে সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল। ফলে নতুন এই কাঠামোয় নকআউটে ওঠার আগে প্রতিটি দলকেই যেতে হবে দীর্ঘ এবং কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে।
যদিও র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে থাকায় ভারতকে প্রথম পর্বে খেলতে হবে না। সরাসরি দ্বিতীয় রাউন্ড থেকেই অভিযান শুরু করবে মেন ইন ব্লু। সেখানে অন্তত পাঁচটি ম্যাচ খেলতে হবে। এর পর সুপার ৭ পর্বে পৌঁছতে পারলে আরও ৬টি ম্যাচ। এরপর সেমিফাইনাল ও ফাইনালে উঠলে আরও দুটি অর্থাৎ মোট ১৩টি ম্যাচ খেলতে হবে ভারতকে। যা বিগত বিশ্বকাপগুলির তুলনায় অনেক বেশি। এর আগে ২০০৩ এবং ২০০৭ বিশ্বকাপে দুই ফাইনালিস্টকে সর্বোচ্চ খেলতে হয়েছিল মোট ১১টি ম্যাচ।




